Bangla Kobita, Bengali Poems, Jokes, Story - বাংলা কবিতা, গল্প, কৌতুক পড়ুন এবং লিখুন


Bangla Kobita, Bengali Poems, Jokes, Story - বাংলা কবিতা, গল্প, কৌতুকের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বাংলা শিক্ষা ডট কম। জনপ্রিয় খ্যাতিমান কবিদের নানাবিধ বাংলা কবিতার একটি সংগ্রহশালা। এখানে জনপ্রিয় কবিদের হাজার হাজার বেঙ্গলি কবিতার [Bengali Poems] সংকলন রয়েছে , যা দিনকে দিন বাড়ছে। এছাড়াও এখানে মজার বাংলা জোকস [Bangla Jokes] , ছোট গল্প [Short Story], রচনা ইত্যাদির একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে ।

আমাদের বাংলা কবিতা [Bangla Kobita] বৃহত্তর ফোরাম রয়েছে যেখানে আপনি কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এর পাশাপাশি বাংলা কবিতা, আবৃত্তি [Recitation] প্রকাশের [Publish] সুযোগ রয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য নতুন লেখক এবং লেখিকাদের লেখা প্রকাশের একটা মাধ্যম তৈরী করা। আপনার লেখা প্রকাশ করুন।

আমাদের দেশে এবং সারা পৃথিবী জুড়ে হাজার হাজার কবিরা রয়েছেন , যারা শুধু বাংলা নয় , নানা ভাষায় কবিতা লিখেছেন , তাদের কবিতার ডালি আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ। আজ ইন্টারনেটের সুবিধার্তে কবিতা এখন হাতের মুঠোয়। কত বিখ্যাত , অবিখ্যাত কবির কবিতা আমরা শুনতে পাই।

Best Poem of the Week - সপ্তাহের সেরা কবিতা

Bangla Kobita Collection - আমাদের সংগ্রহ


জীবনমুখী কবিতাদুঃখের কবিতাপ্রেমের কবিতাজনপ্রিয় কবিতাছড়া কবিতা
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor

সাম্প্রতিক সংযোজন

ছন্দের ভুবন – সোহন ঘোষ

ছড়া: ছন্দের ভুবন

লেখক: সোহন ঘোষ

রচনাকাল: ১৮ এপ্রিল ২০২৬

( © Sohan Ghosh )

 

ছন্দে ছন্দে কাব্য লিখি,

ছন্দে ছন্দে রাস্তা হাঁটি।

ছন্দে ছন্দে লালু ডাকে,

রাস্তার ওই মোড়ের বাঁকে।

 

ছন্দে ছন্দে চলে গাড়ি,

ছন্দে ছন্দে গল্প করি।

ছন্দে ছন্দে গান শুনে,

নেচে উঠি আনমনে।

 

ছন্দে ছন্দে ঘড়ির কাঁটা,

ছন্দ মেপে সময় বলে।

ছন্দে ছন্দে গাড়ির চাকা,

রাস্তা দিয়ে গড়িয়ে চলে।

 

কত রকম ছন্দ আছে,

আমাদেরই ভুবন মাঝে।

ছন্দ সেসব শুনতে গেলে,

মনটা দাও দ্বন্দ্ব ভুলে।

 

( পূর্ণভারতী )

বসন্তের রঙ্গ – সোহন ঘোষ

 বসন্তের রঙ্গ

ভরেছে তোমার হৃদয়ের প্রান্তর আজ নতুন সবুজ ঘাসে,

পুরনো ছন্দে গিয়ে মাথা ঠেকাই ধুলো-মাখা এক ইতিহাসে।

 

ছোট ছোট আমার ধ্রুব ঘাস, অবহেলায় মাটির বুকে।

পৃথিবীর ভালো-মন্দ বিচার করি, ঘোলাটে অশ্রু-চোখে।

 

পদ্মের ওপর দাঁড়িয়ে, পদ্ম খুঁজি; না খুঁজে পেয়ে গোলাপ খুঁজি।

হাতড়ে হাতড়ে ধুতুরাকে গোলাপ ভেবে, নিজের সাথে নিজে যুঝি।

 

হঠাৎ এক বসন্তে কেশবতীর পরশে, ধূসর চশমা যায় গলে।

বেনীআসহকলা’র রঙ্গ দেখে, ধুলো-মাখা ইতিহাস যায় ভুলে।

 

ডানে পদ্ম, বামে গোলাপ, সেই ভ্রান্তিকর চশমা পায়ের তলায়,

আমার হৃদয়ের প্রান্তরে নতুন ধ্রুব ঘাসের চারা জন্মায়।

 

আলো-ছায়া বরণ করে, হাতে হাত রেখে এগিয়ে চলি—

কালবৈশাখী, সুনামি উপেক্ষা করে; রাজপথ কিংবা সরু গলি।

 

🖨️ ০১ বৈশাখ ১৪৩৩

সন্ধ্যাবাজি–সোহন ঘোষ

সন্ধ্যাবাজি

সোহন ঘোষ 

 

ঝকঝকে ওই চাঁদ দেখি আজ, চকচকে ওই আকাশে,

শিরশিরানি করছে শরীর, ঝিরঝিরি ওই বাতাসে।

ঝিকমিকিয়ে তারার মেলা, মিটমিটিয়ে আলো ছড়ায়,

গুনগুনিয়ে গানটি গেয়ে হনহনিয়ে হেঁটে বেড়ায়।

 

ঝিকমিকিয়ে ট্রেনটি ছুটে, টিপটিপিয়ে জলটি পড়ে,

ঢকঢকিয়ে জল খেয়ে সে ঠকঠকিয়ে ঠোকা মারে। 

ঘেউ-ঘেউ করে ডাকছে লালু, ম্যাঁও-ম্যাঁও ওই বিড়ালে,

ব্যাঁ-ব্যাঁ করে ডাকছে ছাগল, কাকার বাড়ির ওই আড়ালে। 

 

হটহটিয়ে রাস্তা হেঁটে, খক-খকিয়ে কেশে ওঠে;

খিকখিকিয়ে আপন মনে একলা বুড়ি হেসে ওঠে।

হোঁচট খেয়ে ধপাস পড়ে দিচ্ছে শুধু গড়াগড়ি,

ভনভনিয়ে এসে মশা বড্ড করছে বাড়াবাড়ি।

 

হৈ হৈ! রৈ রৈ! মার্ মার্! কাট্ কাট্! করে কে ওই চিৎকার?

এইবেলা! এইবেলা! সরে পড়া ভীষণ দরকার!

 

২০ /০৫ / ২০২৬ ( পূর্ণভারতী )

প্রেমবন্ধনা-বিপ্লব চন্দ্র দত্ত

ঘোর বরষায়           তার ভরসায়

         দিবস যামিনী কাটে,

তার প্রেম মনে         বসি সযতনে

        বাঁধানো পুকুর ঘাটে!

তার আঁখি তারা   দেখে মাতোয়ারা

        কাঁদে এ হৃদয় মোর,

তার সুধা চুমে         অচেতন ঘুমে

        রাত শেষে আসে ভোর।

সেযে মধুছন্দা         মম মনানন্দা

            যৌবন রূপ রাশি!

মধুর যামিনী       শোভিত চাঁদিনী

         উঠি পুলকে বিকাশি!

 

মোবাইল ভাইরাস

এ যুগের ছেলেমেয়েরা বড়ই অদ্ভুত জাত,

মোবাইল হাতে নিয়ে করে জীবনটার পাত!

সকালবেলায় ভাঙে না ঘুম সুরেলা পাখির ডাকে,

নোটিফিকেশনের টুং-টাং বাজে কানটার ফাঁকে।

দুপুরবেলা চোখ খুলেই ফেসবুকটা করে চেক,

বিশ্বের খবর রাখে না, দেখে শুধু লাইক এক!

বইখাতা পড়ে অবহেলায় ধুলো জমে স্থির,

পরিবারকে পর করে নেট দুনিয়ায় বাঁধে নীড়! 

পরীক্ষার আগের রাতে হঠাৎ পড়ে টেনশন,

গুগলই তখন গুরু, ইউটিউবেই সলিউশন!

পরিবারের পাশে বসে কোন কথা নাই,

চ্যাট করে বন্ধুকে-কেমন আছিস ভাই?’

জীবনযুদ্ধে হেরে কেবল গেম খেলে জিতে,

মাথা ঝুলে রাখে এরা দুনিয়া ঘুরে নিতে।

মোবাইল ফোন না থাকলে জীবন শেষ আজ!

মোবাইলটাই আসল যেন পড়ে থাক কাজ!

এ যুগের ছেলেরা এখন মোবাইলের দাস,

মোবাইলই প্রাণ সাথী, নেটই সর্বনাশ!

তবু বলি- শোন বন্ধু, একটু থামো ভাই,

মোবাইলটা কমিয়ে দিলে ভাল জীবন পাই।

 

কবিতা – অচেনা। লেখক- শুভদীপ ঘোষ

দীর্ঘদিন একই রাস্তায় চলতে চলতে

চেনা হয়ে যায় রাস্তার ধারের প্রতিটি বিল্ডিং,

প্রতিটি দোকান।

মুখস্থ হয়ে যায়—কোথায় কী আছে।

দীর্ঘদিন একই জুতো পায়ে দিলে

ভুল করে অন্য কারও জুতো পায়ে দিলেও

দেখার আগেই টের পাওয়া যায়—

অনুভব করা যায়, জুতোটা নিজের নয়।

দীর্ঘদিন একই গানের সুর শুনতে শুনতে

প্রথম সুর উঠলেই,মনে পড়ে যায় পুরো গানটা।

দীর্ঘদিন একই কলম দিয়ে লিখতে লিখতে

চোখ বন্ধ করেও বোঝা যায়—

এই কলমটা নিজের,

এর কালি কেমন,এর চলন কেমন।

কিন্তু আশ্চর্য!

বহু বছর ধরে একজন মানুষকে

দেখেও, জেনেও, চিনেও

মানুষকে চেনা যায় না।

মানুষ চেনা অসম্ভব—

একেবারেই অসম্ভব,

অসম্ভব রকম অসম্ভব। 🌑

তুমি থাকো পাশে – আতিকুর রহমান অন্তর

 আমারে না হয় একটু কম ভালোবাসো,

কিন্তু ভালোবাসো এমনভাবে—
যেন আমার পর আর কাউকে ভালোবাসার সাহস না হয় তোমার।

আমারে একটু কম যত্ন কইরো, তাতে কিচ্ছু যায় আসে না,
কিন্তু আমার খোঁজটা রেখো…
যেন রাতের নিস্তব্ধতায়ও টের পাই,
তুমি আছো—আমার জন্যই আছো।

আমারে একটু কম সময় দিও,
কিন্তু প্লিজ, সারাজীবনটা থেকো পাশে…
যাইও না, এমন অজুহাতে যা ভালোবাসা বোঝে না।

আমারে ততটুকু দূরে রাখো,
যতটুকু দূর থেকেও তোমার উপস্থিতি টের পাই—
এর চেয়ে একটুও বেশি দূরে নিও না আমায়।

আমার সুখ, আমার আশা, আমার সবকিছুই
কম হইলেও মানায়,
শুধু তোমারে হারানোর কথা ভাবলেই বুকটা ফাঁকা লাগে।

আমি যা চাই, তা খুব সহজ—
তুমি আমার হও, কেবল আমার জন্যই হও।

আমার ভালোবাসা আমি কাউকে ভাগ দিতে পারি না,
তুমি আছো আমার ভেতর এমনভাবে,
যেন তোমাকে হারানো মানেই নিজেকে হারানো।
কম হোক, বেশি হোক,
তবু তুমি শুধু আমার…

– আতিকুর রহমান
– ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ 

তোমার জন্য

তোমার জন্য একটা সকাল বসন্ত সকাল আদুরে রোদ্দুর দক্ষিণা বাতাস মনের ঘরে খুশির ছোঁয়ায় ভরপুর, তোমার জন্য নিঝুম দুপুর চিলেকোঠার ঘরে রূপকথার গল্প লিখে চলে, তোমাকে কাছে পেলে শোনাবে বলে তোমার জন্য একটা বিকেল ভীষণ ভালো লাগা কমলা রোদ্দুর অপেক্ষা।

 

সব ক্লান্তি ভুলে যাবো যখন হবে দুই জনের দেখা।

 

তোমার জন্য একটা সন্ধ্যা ভীষণ জমজমাট মনে ইচ্ছেমত ঘোরা ফেরা তোমার জন্য একটা নির্জন রাত গল্প, স্বপ্ন, আর খুনসুটিতে ভরা।

 

 

হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজ ট্রেডিং: অর্থনৈতিক খবরের সময় বড় লস এড়ানোর টেকনিক

ফরেক্স মার্কেটে হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজ রিলিজের সময় তীব্র অস্থিরতা বা Volatility তৈরি হয়, যা সঠিক কৌশল না জানলে দ্রুত অ্যাকাউন্ট জিরো করে দিতে পারে। 

 

বিশেষ করে এনএফপি (NFP) বা সুদের হারের মতো খবরের সময় বড় লস এড়াতে লট সাইজ নিয়ন্ত্রণ, স্টপ লস ব্যবহার এবং স্লিপেজ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। 

 

উই মাস্টার ট্রেড (WeMasterTrade) এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলোতে ফরেক্স নিউজ ট্রেডিং করার সময় তাদের নির্দিষ্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট পলিসি মেনে চলা আপনার মূলধন সুরক্ষার প্রধান চাবিকাঠি।

 

ফরেক্স ট্রেডিংয়ের জগতে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং একই সাথে ঝুঁকিপূর্ণ সময় হলো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খবর প্রকাশের মুহূর্তগুলো। 

 

অনেক ট্রেডার কয়েক মিনিটে বড় লাভের আশায় এই সময় ট্রেড করেন, কিন্তু যথাযথ প্রস্তুতি না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বড় লোকসানের শিকার হন। 

 

আজকের এই গাইডটিতে আমরা আলোচনা করব কীভাবে খবরের সময় আপনার একাউন্ট সুরক্ষিত রাখবেন এবং পেশাদারদের মতো ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা করবেন।

 

হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজ আসলে কী এবং কেন এটি বিপজ্জনক?

হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজ হলো এমন কিছু অর্থনৈতিক ডেটা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যা বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে তাৎক্ষণিক এবং বিশাল পরিবর্তন ঘটায়। যেমন: যুক্তরাষ্ট্রের নন-ফার্ম পে-রোল (NFP), কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হারের সিদ্ধান্ত (Interest Rate Decision), এবং সিপিআই (CPI) বা মুদ্রাস্ফীতির তথ্য। 

 

এই খবরগুলো প্রকাশের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মার্কেট শত শত পিপস মুভ করতে পারে।

 

সাধারণ সময়ে লিকুইডিটি বা ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা স্থিতিশীল থাকলেও নিউজের সময় লিকুইডিটি গ্যাপ তৈরি হয়। 

 

এর ফলে স্প্রেড অনেক বেড়ে যায় এবং আপনার স্টপ লস সঠিক জায়গায় কাজ না করার ঝুঁকি থাকে। তাই পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ছাড়া ফরেক্স নিউজ ট্রেডিং করা অনেক সময় আত্মঘাতী হতে পারে।

 

খবরের সময় বড় লস এড়ানোর ৫টি কার্যকর টেকনিক

নিউজের সময় আপনার মূলধন রক্ষা করাই হওয়া উচিত প্রথম লক্ষ্য। পেশাদার ট্রেডাররা লস এড়াতে নিচের কৌশলগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করেন:

 

  • লট সাইজ কমিয়ে আনা: খবরের সময় লট সাইজ সাধারণ সময়ের তুলনায় অন্তত ৫০% থেকে ৭০% কমিয়ে দিন। এতে মার্কেট আপনার বিপরীতে গেলেও বড় লস হবে না।

 

  • পেন্ডিং অর্ডার ব্যবহার: সরাসরি মার্কেট অর্ডার না দিয়ে বাই স্টপ বা সেল স্টপ অর্ডার ব্যবহার করুন। এতে স্লিপেজের ঝুঁকি কিছুটা কমে।

 

  • স্লিপেজ সম্পর্কে সচেতনতা: মনে রাখবেন, নিউজের সময় প্রাইস গ্যাপ হতে পারে। আপনি যে প্রাইসে স্টপ লস দিয়েছেন, মার্কেট সেখানে না থেকে অনেক নিচে ওপেন হতে পারে।

 

  • নিউজ রিলিজের ২০ মিনিট পর ট্রেড: তাৎক্ষণিক অস্থিরতা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। যখন মার্কেট একটি নির্দিষ্ট ট্রেন্ড খুঁজে পায়, তখন এন্ট্রি নেওয়া অনেক বেশি নিরাপদ।

 

  • ইকোনমিক ক্যালেন্ডার চেক: ট্রেড শুরু করার আগে অবশ্যই ফরেক্স ফ্যাক্টরির মতো সাইটে আজকের “রেড ফোল্ডার” নিউজগুলো দেখে নিন।

 

প্রধান অর্থনৈতিক খবর এবং কারেন্সিতে তাদের প্রভাবের তালিকা

সব খবর মার্কেটে সমান প্রভাব ফেলে না। নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর এবং তাদের প্রভাব তুলে ধরা হলো:

 

নিউজের নাম

গুরুত্বের স্তর

প্রধান প্রভাবিত কারেন্সি

সম্ভাব্য মুভমেন্ট (পিপস)

NFP (Non-Farm Payroll)

অত্যন্ত উচ্চ

USD সংশ্লিষ্ট সব পেয়ার

৮০ থেকে ২০০+

Interest Rate Decision

সর্বোচ্চ

সংশ্লিষ্ট দেশের কারেন্সি

১০০ থেকে ৩০০+

CPI (Inflation Data)

উচ্চ

USD, EUR, GBP

৫০ থেকে ১২০+

GDP Growth Rate

উচ্চ

সংশ্লিষ্ট দেশের কারেন্সি

৪০ থেকে ১০০+

FOMC Meeting

অত্যন্ত উচ্চ

মূলত USD এবং গোল্ড

১০০ থেকে ২৫০+

 

নিউজ ট্রেডিংয়ে স্লিপেজ এবং স্প্রেড বাড়ার কারণ কী?

নিউজের সময় যখন বড় বড় ব্যাংক এবং ইনস্টিটিউশনাল ইনভেস্টররা তাদের অর্ডারগুলো মার্কেট থেকে সরিয়ে নেয় বা নতুন পজিশন নিতে দেরি করে, তখন লিকুইডিটি কমে যায়। এর ফলে ব্রোকাররা তাদের ঝুঁকি কমাতে স্প্রেড (ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের পার্থক্য) বাড়িয়ে দেয়।

 

স্লিপেজ ঘটে তখন, যখন আপনি যে প্রাইসে অর্ডার এক্সেকিউট করতে চান, সেই প্রাইসে কোনো বিক্রেতা বা ক্রেতা থাকে না। 

 

ফলে আপনার অর্ডারটি পরবর্তী অ্যাভেলেবল প্রাইসে ওপেন হয়। এই কারণেই ফরেক্স নিউজ ট্রেডিং করার সময় জিরো স্প্রেড একাউন্ট বা উই মাস্টার ট্রেড এর মতো উন্নত টেকনোলজির প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা উচিত যাতে এক্সিকিউশন দ্রুত হয়।

 

প্রপ ফার্মের নিউজ ট্রেডিং পলিসি: আপনার কী জানা উচিত?

অধিকাংশ প্রপ ফার্মে হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজের সময় ট্রেড করার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকে। যেমন: নিউজ রিলিজের ২ মিনিট আগে এবং ২ মিনিট পরে কোনো ট্রেড ওপেন বা ক্লোজ করা নিষিদ্ধ হতে পারে। এটি মূলত ট্রেডারকে অনাকাঙ্ক্ষিত স্লিপেজ থেকে রক্ষা করার জন্য করা হয়।

 

আপনি যদি উই মাস্টার ট্রেড বা অন্য কোনো ফার্মে চ্যালেঞ্জে থাকেন, তবে অবশ্যই তাদের নিউজ রুলসগুলো ভালো করে পড়ে নিন। 

 

নিয়ম ভঙ্গ করলে অনেক সময় আপনার একাউন্টটি বাতিল হয়ে যেতে পারে। সফল হওয়ার জন্য নিউজের সময় সরাসরি জুয়া না খেলে ডেটা আসার পর এনালাইসিস করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

 

ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় স্টপ লস (Stop Loss) এর গুরুত্ব

নিউজ ট্রেডিংয়ে স্টপ লস ছাড়া ট্রেড করা মানে হলো লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাপ দেওয়া। 

 

যদিও স্লিপেজের কারণে স্টপ লস শতভাগ গ্যারান্টি দেয় না, তবুও এটি আপনার একাউন্টকে সম্পূর্ণ জিরো হওয়া থেকে বাঁচায়। 

 

নিউজের সময় স্টপ লসটি সাধারণ সময়ের চেয়ে একটু দূরে সেট করা উচিত যাতে সামান্য ভোলাটিলিটিতেই আপনার ট্রেডটি বন্ধ না হয়ে যায়।

 

নিউজ ট্রেডিং কি সবার জন্য?

পরিশেষে বলা যায়, ফরেক্স নিউজ ট্রেডিং একটি অত্যন্ত লাভজনক কিন্তু দ্বিমুখী তলোয়ার। যারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং যাদের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত শক্তিশালী, তারাই কেবল এই সময় টিকে থাকতে পারেন। আপনি যদি একজন নতুন ট্রেডার হন, তবে হাই-ইমপ্যাক্ট নিউজের সময় সাইডলাইনে বসে মার্কেট পর্যবেক্ষণ করাই আপনার জন্য সেরা স্ট্র্যাটেজি হবে।

 

ট্রেডিংয়ে বড় লস এড়ানোর মূল মন্ত্র হলো আবেগ বর্জন করা এবং গাণিতিক নিয়মে ট্রেড করা। ২০২৬ সালের আধুনিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে আপনি যদি সচেতনভাবে নিউজ হ্যান্ডেল করতে পারেন, তবে এটি আপনার প্রফিট কার্ভকে অনেক উঁচুতে নিয়ে যেতে সক্ষম।

 

আপনি কি আজকের রেড ফোল্ডার নিউজগুলো চেক করেছেন? 

 

আজই ফরেক্স ফ্যাক্টরি ভিজিট করুন এবং আপনার ট্রেডিং চার্টে খবরের সময়গুলো মার্ক করে রাখুন। 

 

মনে রাখবেন, পুঁজি রক্ষা করাই বড় লাভের প্রথম ধাপ। কোনো টেকনিক্যাল সাহায্য প্রয়োজন হলে আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না।

লোভী ভিক্ষুক ও স্বর্ণমুদ্রা

এক ভিক্ষুক খাবারের জন্য ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়াত। সে ছিল খুব কুৎসিত; ছেঁড়া জামাকাপড় আর এলোমেলো চুল। তার একটি পুরোনো ব্যাগ ছিল।

সে প্রতিটি বাড়িতে যেত, আর কিছু না পেলে বাড়ির মালিকদের সম্পর্কে নানা কথা বলত। এক বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সে উচ্চস্বরে বলল,

“বাড়িটা অনেক বড়, কিন্তু এখানকার মানুষ অনেক টাকা থাকলেও সন্তুষ্ট নয়। তারা সব সময় আরও বেশি চায়। শেষ পর্যন্ত লোভের বশে সব হারিয়ে ফেলে…”

এরপর সে অন্য এক বাড়িতে গেল। সেখানেও কিছু না পেয়ে বলল,

“এই বাড়ির লোকটি কোটিপতি, কিন্তু তাতেও সে সন্তুষ্ট নয়। আরও টাকা বাড়ানোর জন্য জুয়া খেলে। আমি যদি একটু টাকা পাই, তাতেই সন্তুষ্ট হব। আমি লোভী হব না!”

এ কথা বলেই সে রাস্তার পাশে হাঁটতে লাগল। হঠাৎ এক বিশাল জীন তার সামনে উপস্থিত হলো।

জীন বলল, “আমি তোমাকে সাহায্য করতে চাই। তোমার ব্যাগটা দাও, আমি তাতে সোনার মুদ্রা ভরে দেব। তুমি যত খুশি নিতে পারো।”

ভিক্ষুক অবাক হয়ে জীনের দিকে তাকাল। জীন আবার বলল,

“শোনো, ব্যাগে যে মুদ্রা পড়বে, তা সোনা হয়ে যাবে। কিন্তু মাটিতে পড়লে তা ধুলোয় পরিণত হবে—এটা আমার সতর্কবার্তা।”

ভিক্ষুক আনন্দে ব্যাগ খুলে ধরল। জীন সোনার মুদ্রা ঢালতে লাগল। কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যাগ পূর্ণ হয়ে গেল, তখন জীন থেমে গেল।

ভিক্ষুক বলল, “এটা কি যথেষ্ট? আমি তো রাজা-বাদশার মতো ধনী হতে চাই!”

জীন বলল, “এটাই যথেষ্ট।”

কিন্তু ভিক্ষুক বলল, “না, আমি আরও চাই!”

জীন আবার কিছু মুদ্রা দিল এবং সতর্ক করে বলল, “তোমার ব্যাগ আর বেশি নিতে পারবে না।”

ভিক্ষুক তবুও বলল, “আরও দাও!”

জীন আবার কিছু মুদ্রা দিল। এবার বলল, “তোমার ব্যাগ ছিঁড়ে যাচ্ছে…”

কিন্তু ভিক্ষুক শুনল না—

“না, না! আরও দাও! আমার ব্যাগ ধরে রাখবে!”

এক মুহূর্তের মধ্যেই ব্যাগটি ছিঁড়ে গেল। সব মুদ্রা মাটিতে পড়ে ধুলোয় পরিণত হলো। আর সেই সঙ্গে জীনও অদৃশ্য হয়ে গেল।

লোভী ভিক্ষুক স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

স্বাধীনতা মানে

স্বাধীনতা এক শব্দ, যে শব্দ

অন্তর গহীনে থাকে লুপ্ত,

ভাবায় ছমছম কল্পনায় কখনো

বা নিস্তব্ধ যন্ত্রণায় সুপ্ত।

 

স্বাধীনতা এমনিতেই আসেনি?

রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস ,রুদ্ধশ্বাস

যে ইতিহাস কাঁদায় ভাবায় 

ও অনুপ্রেরণা জোগায়!

 

স্বাধীনতা শত মায়ের হাহাকার

কণ্ঠধ্বনি স্তব্ধ বঞ্চিত মুখ,

সেই পশ্চিমা হানাদার হায়নারা

যারা কেড়ে নেয় বাংলার সুখ।

 

স্বাধীনতা মানেই শুধু লাশ

আর বারুদের আতশি গন্ধ,

সাথে দুর্বার, দুর্জয় স্বদেশ গড়ার

কোটি জনতার স্বাধীনতার স্বপ্ন।

 

স্বাধীনতা মানে বঙ্গবন্ধুর সূর

যার অনুপ্রেরণায় হয়েছে স্বাধীন,

উড়ছে  পতাকা, বিজয় মিছিল

অন্যায় মুছে, ফিরেছে সুদিন।

 

স্বাধীনতা মানে ছাব্বিশে মার্চ

জিয়ার কণ্ঠে যুদ্ধের আহ্বান,

যার ডাকে ভাঙে সকল ভয়

জাগে বীরত্ব, জয়ের গান।

 

স্বাধীনতা মানে শহীদ দিবস

লাল সবুজের উড়ন্ত নিশান,

আছে শহীদের লালিত স্বপ্ন 

দেশ গড়ার অটুট আহ্বান।

 

স্বাধীনতা মানেই রক্তাক্ত দেশ

ত্যাগ-রক্তে পাওয়া অধিকার,

রক্তে রাঙা এই যে মাটি

ভুলে যেও না কখনো আর।

এলোমেলো ভাবনা

দেখি যখন নিজেকে

সামনে নিয়ে আয়না,

মনে জাগে কত শখ

কত রকম বায়না।

দুধে-আলতা হত যদি

গাত্রবর্ণখানি,

থাকত অঢেল টাকা পয়সা

জীবন ষোল আনি!

হতেম যদি নামীদামী

কবি-সাহিত্যিক,

সুরের জাদুর ঈন্দ্রজালে

ছড়ায় দিগি¦দিক!

আমার যদি থাকত ডানা

মুক্ত পাখির মত,

নীলাকাশে ভেসে বেড়ায়

বকের সারি যত! 

পালোয়ানদের মত যদি

থাকত গায়ে তেজ,

মশামাছি তাড়িয়ে দিতাম

নাড়িয়ে দিয়ে লেজ।

কখনো ভাবি মঞ্চে ওঠে

গলা ফাটাই বর্ক্তৃতায়,

নায়ক হই, গায়ক হই

চেষ্টা যত করছি তায়!

কবি হই, প্রেমিক হই

সবগুনেই গুনী হই,

এতগুন থাকবে ক’দিন

ক’দিন-ই বা বেঁচে রই!

একেই বলে পার্থক্য — অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

ডাস্টবিনের ধারের ঐ ছেলেটিকে দ্যাখো
কুকুরগুলোর সাথে কেমন খাবার ভাগাভাগি করে খাচ্ছে
মানুষ ওর বন্ধু হয়নি
তবে বন্ধু হয়েছে ইতর প্রাণীরা।
তোমাদের এলাকায় এসে ও কিন্তু কারও বাড়িতে আশ্রয় চায়নি
নিজে থেকেই জুটিয়ে নিয়েছে ঐ জায়গাটা
ওর মাথা বাঁচানোর দরকার নেই
শুধু পেটটুকু বাঁচাতে চায়
ক্ষিদে পেলে পেট মানতে চায় না
ক্ষিদের জ্বালা বড় জ্বালা
তাই তো ডাস্টবিনের ধারের জায়গাটা আদর্শ মনে করেছে।
ডাস্টবিনে তোমরা কত কী ফেলে দিয়ে যাও
এঁটো খাবার নষ্ট খাবার ব্যবহারের অযোগ্য জিনিসপত্র
আরও কত কিছু….
যে ধরনের খাবার তোমরা খেতে পারো না ঐ ছেলেটি দিব্যি ওসব খায়
কী আর করবে ভাগ্য ওর তেমন নয়
ভাগ্য সবকিছুতেই একটা বড় বিষয় হয়।
রাস্তায় খাবার ফেলে দিলে কুকুরেরা খায়
ও কিন্তু সেভাবে খায় না
ও ডাস্টবিনের খাবার খায়।
কুকুরদের সঙ্গে থেকে ও ডাস্টবিনের খাবার খায় ঠিকই
কিন্তু তাই বলে ও কুকুরদের চেয়ে অধম নয়
ও ডাস্টবিনের খাবার খায় রাস্তার নয়।
ওর সাথে কুকুরদের পার্থক্য দেখলে?
আর তোমাদের সাথে কুকুরদের পার্থক্য দ্যাখো।
তোমরা মানুষ হয়ে মানুষের দুঃখ বোঝো না
মানুষের সেবা করো না
অথচ ওই কুকুরগুলোকে দ্যাখো
ছেলেটির সঙ্গে কেমন খাবার ভাগাভাগি করে খাচ্ছে
আরও একটা ব্যাপার হলো
ওরা কিন্তু ছেলেটিকে মোটেও কামড়ে দিচ্ছে না।
কেন?
ডাস্টবিনে যত খাবার আছে সব যে ওদেরই
এমনটা কিন্তু ওরা মোটেও ভাবছে না —- তাই।
একেই বলে পার্থক্য ।
বুঝলে তোমরা?
একেই বলে পার্থক্য।

—- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
১৪/৪/২০২৪
বারুইপুর

যদি তোমাকে পেয়ে যেতাম — অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

যদি তোমাকে পেয়ে যেতাম 

আমার জীবনের সকল দুঃখ যন্ত্রণা ক্লেশ 

দূর হয়ে যেত। 

তোমাকে আজও পাইনি বলেই 

আমি সুখী হইনি।

আমার নয়নের দুঃখ-ভরা জল 

থেকে জন্ম নিলো বেদনার সরসী,

কিন্তু সেই নয়ন থেকে আনন্দের জল ঝরল না 

সেই আনন্দের জল মাটিতে পড়ে 

কোনো ফুল গাছেরও জন্ম হলো না।

মানুষ জীবনে টাকা-পয়সার পিছনে ছোটে —-

বড়ো-বড়ো বাড়ি করবে,

দামি গাড়ি কিনবে এই আশা রাখে 

কিন্তু আমি তোমার পিছনে ছুটে গেলাম 

অথচ তোমাকে পেলাম না।

জীবনে দুঃখটা থেকেই গেল। 

যদি অর্থের পিছনে ছুটতাম তবুও সুখী হতাম না কারণ তুমি তো অধরা থাকতে 

তোমাকে পেয়ে গেলে 

এই তুচ্ছ টাকা-পয়সার প্রতিও

আমার টান থাকত না।

টাকা পয়সা ক’দিনের?

ভালোবাসা তো চিরদিনের।

যতদিন মানুষ বেঁচে আছে 

ততদিন না হয় টাকা-পয়সার দাম আছে 

কিন্তু দেহরক্ষার পর —-

তখন কি আর সেই টাকা-পয়সার 

কোনো কদর আছে?

অথচ ভালোবাসা অক্ষয়-অমর।

জানি, যখন আমি থাকব না —-

আমি না থাকলেও আমার ভালোবাসার কাহিনি

ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে —-

ইতিহাস তো মোছা যায় না।

আমার যত আবেগ 

আমার যত অনুরাগ 

সব তোমাকে ঘিরে 

আমি তোমাতেই আসক্ত 

তোমাতেই মুগ্ধ বারংবার।

কিন্তু তোমাকে পেলাম না 

জানি না কবে পাব 

আদৌ পাব কিনা।

বয়স তো বেড়েই চলল 

জানি না আমার অভিলাষ 

এই জীবনে আদৌ পূরণ হবে কিনা 

তাইতো ঈশ্বরের কাছে আমার অনুরোধ 

সামনের জীবনে যেন তোমাকে পেয়ে যাই।

 

—- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী 

২১/৩/২০২৬

 

ধর্ষণ আটকাতে শিক্ষা — অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

ধর্ষণ এক জঘন্য সামাজিক অপরাধ।

এ অপরাধের সাজা বলতে গেলে কি শুধু মৃত্যুদণ্ড?

আমরা তো শুনেছি খবরে অনেক ধর্ষকের ফাঁসি হয়েছে।

ব্যস, এতেই কি ধর্ষণ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল?

না।

তা তো নয়।

এত বড়ো দেশে কোথাও না কোথাও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই চলেছে প্রায় প্রতিদিনই।

সব ঘটনার কথা কি আমরা জানি

নাকি সব ঘটনার কথা খবরে আসে?

যে সকল পুরুষেরা ধর্ষণ করে 

তাদের মধ্যে রয়েছে অত্যধিক যৌন ক্ষুধা।

সেই ক্ষুধা মেটানোর জন্য 

তারা ছটফট করে দিনরাত।

একসময় কোনো একটি মেয়ে বলি হয়ে যায় 

সেই ধর্ষণের।

এসব ভাবতেও খারাপ লাগে,

কতটা নীচে নামলে মানুষ এমন জঘন্যতম ঘটনা ঘটায়!

সেই সকল পুরুষ যাদের 

যৌন লালসা এতই বেশি

তারা পারলে নিজের গর্ভধারিণী মাকেও 

পর্যন্ত ছাড়ে না…বোন, দিদি….কেউ বাদ যায় না তাদের লালসার হাত থেকে —–

এমন ঘটনার কথা আমরা কত শুনেছি খবরে।

তারা শুধুমাত্র শরীর বোঝে 

কিন্তু স্নেহ, দয়া, মায়া, ভালোবাসা 

এসব কিছুই বোঝে না

তারা হয়তো কোনো মেয়েকে 

কোনোদিনও ভালবাসতে পারেনি

কারণ ভালোবাসা অনেক উচ্চমার্গের বিষয় 

তাই তো সবাই ভালবাসতে পারে না

তারা শুধু দেহ ভোগ করতে চায়

তাদের অতৃপ্ত কামনা যেন মিটতেই চায় না 

তাইতো একের পর এক মেয়ে বলি হয় ধর্ষণের।

কিন্তু এদের শাস্তি হিসেবে শুধু মৃত্যুদণ্ডই যথেষ্ট নয়।

মৃত্যু মানে সবকিছু শেষ

মৃত্যুর মাধ্যমে যে সময় প্রাণ দেহ থেকে বেরিয়ে যায় শুধু সেই সময়ই যা যন্ত্রণা উপলব্ধি হয় 

যা ‘মৃত্যুযন্ত্রণা’ নামে পরিচিত।

যার মৃত্যু হল, মৃত্যুর পরে তার কি আর মনে থাকবে কোনো যন্ত্রণার কথা?

না।

কিন্তু যে মেয়েটা ধর্ষণের শিকার হ’ল 

সে কি আর সমাজে মুখ দেখাতে পারবে?

সে কি মাথা উঁচু করে চলতে পারবে সমাজে?

কে বুঝবে এসব?

যে মেয়েটা ধর্ষিতা হয়েও প্রাণে বেঁচে যায়

তার রোদন

তার হৃৎশূল 

সে ছাড়া আর অন্য কেউ বোঝে না।

অন্যরা তার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে —-

শুধুমাত্র এইটুকুই।

কিন্তু তার দেহের যে কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের 

ব্যথা যন্ত্রণার কথা 

এসব তো সে ছাড়া আর অন্য কা’রও বোঝার কথা নয়।

তার মন যে হাহাকার করে ওঠে

ঠিক যেন বুকে পাহাড় চাপা পড়েছে 

এতটাই দুঃখ কষ্ট সহ্য করতে হয় তাকে —-

এসব আর সহ্য করতে না পেরে 

সমাজে মুখ না দেখাতে পারার লজ্জায় 

একসময় সেই মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

এক সুন্দর হাসি খুশি জীবনে 

হঠাৎ যেন প্রলয় ঘটে যায় —-

কোনো ফুলের বাগানে সর্বদাই মিষ্টি গন্ধ থাকে 

কিন্তু সেখানে যদি ডাস্টবিনের নোংরা আবর্জনা প্রতিদিন ফেলা হয় 

একটা সময় আসবে যখন সেই বাগানে আর মিষ্টি গন্ধ থাকবে না 

বাগানের পরিবেশ হয়ে উঠবে দুর্গন্ধময়, বিষাক্ত 

ঠিক তেমনি কত মেয়ের জীবন 

অকালেই এভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।

তাই ধর্ষকদের উপযুক্ত সাজা মৃত্যুদণ্ড নয়।

সেই ধর্ষকদেরও সজ্ঞানে 

এমন সাজা দেওয়া উচিত যাতে তারা বুঝতে পারে এক ধর্ষিতা মেয়ে ধর্ষণের সময় কত কষ্ট ভোগ করে।

যারা ধর্ষণ করে 

তারা আড়ালে করে

কিন্তু সেই ধর্ষকদের ভয়াবহ শাস্তি দেয়া উচিত 

জনসমক্ষে 

সকলের সামনে 

যেন ইতিহাস হয়ে যায়।

কোনো পুরুষের মনে যেন ভবিষ্যতেও 

এমন ধর্ষণের মতো নোংরা প্রবৃত্তি না জেগে ওঠে 

আর জেগে উঠলেও তখনই সেই শাস্তির কথা মনে পড়ে যার ফলে নিজেকে শুধরে নেয়।

তবেই হবে যথাযথ উপায়ে ধর্ষণের প্রতিকার।

এছাড়া মেয়েদের সামাজিক সচেতনতা আরও বাড়ানো দরকার।

কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়লে 

কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় 

সেই সম্পর্কে শিক্ষাও তাদের দেওয়া উচিত।

শুধুমাত্র গায়ের জোরই বড়ো কথা নয় 

শিক্ষার জোরই সবথেকে বড়ো।

তাই মেয়েদের এইসব বিষয়ে যথোপযুক্ত শিক্ষা দান করা উচিত 

যাতে কোনো মেয়ে যদি কোনো অবস্থায় বুঝতে পারে যে সে ধর্ষণের শিকার হতে চলেছে —–

কোনো ছেলের যৌন খিদে মেটানোর 

শিকার হতে চলেছে 

সত্ত্বর যেন বুদ্ধি প্রয়োগ করে 

সেই প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারে,

নিজেকে বাঁচাতে পারে।

এই শিক্ষাই একমাত্র শ্রেষ্ঠ শিক্ষা।

অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী 

১৮/৩/২০২৬

Bangla Deshattobodhok Kobita - দেশাত্মবোধক কবিতা


অতি প্রাচীন কাল থেকে নানা মুনি, ঋষি ও মহাপুরুষ -রা নানা কবিতা লিখে গেছেন। কেউ লিখেছেন প্রকৃতি নিয়ে কবিতা, কেউ লিখেছেন যুদ্ধের আবার কেউ ভালোবাসার। অনেক কবি আছেন যাদের কবিতার মাধ্যমে আমরা ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষের নানা ঘটনা জানতে পারি। বিস্তারিত ...

Adhunik Bangla Kobita - আধুনিক কবিতা


জনপ্রিয় কবির লেখা নির্বাচন করে হুবহু বলার সাথে সাথে শুদ্ধ উচ্চারণ,স্পষ্ট বাচনভঙ্গি এবং সুললিত কন্ঠস্বরের মাধ্যমে কবিতা বা ছড়ার ভাববিষয় শ্রোতার নিকট উপস্থাপিত করাই হল আবৃত্তি। শিল্প-সাহিত্যের আঙিনাতে আবৃত্তির প্রবেশাধিকার বহুদিন আগে থেকেই। সাহিত্যের একটি প্রাচীনতম শাখা হচ্ছে কবিতা। বর্তমান সময়ে সাহিত্য জগতে শিল্প-সংস্কৃতিতে আধুনিক কবিতার মান/খ্যাতি দিন দিন বেড়ে চলেছে। বিস্তারিত ...

Bangla Chora Kobita - ছড়া কবিতা


কবিতা শব্দটি শুনলেই মনের মধ্যে আনন্দ জেগে উঠে। ছন্দের সাহায্যে অথবা গদ্যের ভাষায় মনের ভাব ফুটিয়ে তোলাই হল কবিতা। ছোট থেকে বড়ো সবাই কবিতা পাঠ করতে ও শুনতে ভালোবাসেন। ছোট বাচ্চা কিন্তু কথা শেখার পর ছোট ছোট ছড়া প্রথম শেখে, এই ছড়াই কিন্তু কবিতার আর এক রূপ। বিস্তারিত ...

Bangla Sad Poem - দুঃখের কবিতা


আমরা শুধু মনের আনন্দে কবিতা পড়ি বা লিখি তা নয়, মনের দুঃখও কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করি। দুঃখের কবিতা (Sad Kobita) মানুষের দুঃখ কষ্টকে কেন্দ্র করে লেখা হয়। যেমন পৃথিবীতে এমন কোনও মানুষ নেই যে জীবনে কোনো দিনও দুঃখ পাইনি, তেমন দুঃখ ছাড়া কেউ কবি হতে পারে না। বিস্তারিত ...

Bangla Popular Kobita - জনপ্রিয় কবিতা


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান , ছবি, গল্প, উপন্যাস ও কবিতা সবই লিখেছেন । কিন্তু তিনি জগৎ বিখ্যাত বিশ্বকবি নামে পরিচিত অথার্ৎ এখানেও কবিতার জয় জয় কার। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতার মাধ্যমে বিদ্রোহকে আহ্বান জানিয়েছিলেন , আজ তাই তিনি বিদ্রোহী কবি নামে পরিচিত। বিস্তারিত ...

Bangla Premer Kobita - ভালোবাসার কবিতা


প্রেমের কবিতা (Premer Kobita) অর্থাৎ যে কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে প্রেম ভালোবাসাকে উদ্দেশ্য করে লেখা। প্রেমের মধ্যে রয়েছে ভালোবাসা এই জন্য প্রেমের কবিতাকে ভালোবাসার কবিতা (Love Poem) বলা হয়। বিস্তারিত ...