Bangla Kobita, Bengali Poems, Jokes, Story - বাংলা কবিতা, গল্প, কৌতুক পড়ুন এবং লিখুন


Bangla Kobita, Bengali Poems, Jokes, Story - বাংলা কবিতা, গল্প, কৌতুকের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বাংলা শিক্ষা ডট কম। জনপ্রিয় খ্যাতিমান কবিদের নানাবিধ বাংলা কবিতার একটি সংগ্রহশালা। এখানে জনপ্রিয় কবিদের হাজার হাজার বেঙ্গলি কবিতার [Bengali Poems] সংকলন রয়েছে , যা দিনকে দিন বাড়ছে। এছাড়াও এখানে মজার বাংলা জোকস [Bangla Jokes] , ছোট গল্প [Short Story], রচনা ইত্যাদির একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে ।

আমাদের বাংলা কবিতা [Bangla Kobita] বৃহত্তর ফোরাম রয়েছে যেখানে আপনি কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এর পাশাপাশি বাংলা কবিতা, আবৃত্তি [Recitation] প্রকাশের [Publish] সুযোগ রয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য নতুন লেখক এবং লেখিকাদের লেখা প্রকাশের একটা মাধ্যম তৈরী করা। আপনার লেখা প্রকাশ করুন।

আমাদের দেশে এবং সারা পৃথিবী জুড়ে হাজার হাজার কবিরা রয়েছেন , যারা শুধু বাংলা নয় , নানা ভাষায় কবিতা লিখেছেন , তাদের কবিতার ডালি আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ। আজ ইন্টারনেটের সুবিধার্তে কবিতা এখন হাতের মুঠোয়। কত বিখ্যাত , অবিখ্যাত কবির কবিতা আমরা শুনতে পাই।

Best Poem of the Week - সপ্তাহের সেরা কবিতা

Bangla Kobita Collection - আমাদের সংগ্রহ


জীবনমুখী কবিতাদুঃখের কবিতাপ্রেমের কবিতাজনপ্রিয় কবিতাছড়া কবিতা
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor

সাম্প্রতিক সংযোজন

তুমি আমায় না ভালোবাসলেও আমি তোমায় ভালোবেসে যাব

তুমি আমায় পছন্দ নাও করতে পারো

ভালো নাও বাসতে পারো

কিন্তু আমি তোমায় ভালোবেসে যাব।

দ্যাখো, তুমি হয়তো আমায় ভালোবাসো না

অন্য কাউকে বাসো

কিন্তু আমি তোমায় ছাড়া আর কাউকে বাসতে পারবো না ভালো

তোমাকেই দিয়ে দিয়েছি মন

তাই আর পারবো না তা অন্য কাউকে দিতে

তাতে আমি তোমায় জীবনে পাই বা না পাই।

এমন তো অনেকেই আছে যারা জীবনে যা কিছু চায় সব পায় না

আমি না হয় তাদের দলেই পড়বো।

আমি তোমায় ভালোবাসি বলেই বেঁচে আছি

যদি না বাসতে পারি গো মরে যাব!

তুমি অন্য কাউকে ভালোবাসতেই পারো

কিন্তু আমি বেঁচে আছি তোমাকে ভালোবেসে।

তুমি পারলে অন্য যাকে ভালবাসো

তার সাথেই ঘর কোরো সংসার বেঁধো

আমি কিন্তু তোমায় না পেয়েও ভালোবেসে যাব।

সেদিনই বন্ধ হবে আমার ভালোবাসা 

যেদিন পরলোক থেকে ডাক আসবে চলে যাবার।

 

—– অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

২৩/৩/২০২৪

বারুইপুর 

 

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে

যদি সূর্য আর পৃথিবীর মধ্যে ধাক্কা লেগে যায়

তাতে আমাদের কী?

তাতে আমাদের ভালোবাসাতে একটুও চির ধরবে না

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে।

 

যদি শনির সাতটি বলয় কোনো কারণে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়

তাতে আমাদের কী? 

তাতে আমাদের ভালোবাসাতে কোনো প্রভাবই পড়বে না

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে।

 

যদি হিমালয় পর্বতমালার সব বরফ হঠাৎ গলে জল হয়ে যায়

আর তার ফলে পৃথিবী জুড়ে সুনামী সৃষ্টি হয়

তাতে আমাদের কী?

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে।

 

যদি ক্রমাগত উল্কা বৃষ্টি হয়ে পৃথিবীতে আগুন জ্বলে যায়

আর তাতে পৃথিবীর মৃত্যু হয় 

তাতে আমাদের কী?

আমি আর তুমি ঠিক বেঁচে থাকব

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে।

 

পৃথিবীতে এক ভাগ স্থল

যদি সে স্থলও কোনো কারণে সমুদ্রের তলায় ডুবে যায়

তাতে আমাদের কী?

আমরা ডুবব না 

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে।

 

যদি লাল গ্ৰহ আর সবুজ গ্ৰহ একসঙ্গে আকাশ থেকে পড়ে যায় আমাদের নীল গ্ৰহতে

আর তাতে আমাদের গ্ৰহ যদি ধ্বংস হয়ে যায়

তাতে আমাদের কী?

আমি আর তুমি তবু জীবিত থাকব

আমি তোমার থাকব তুমি আমার থাকবে।

 

—- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

২৪/৩/২০২৪

ফাঁসি – অভিজিৎ হালদার

…রুদ্ধনিশ্বাসে রিক্তহস্ত অপলক

কি বা তাহার মায়া নিরন্তর;

উদিতমান ভোরের সূর্য কজ্জল 

মেঘ ভেসে যায় উজ্জ্বল।

রাতজাগা নিশাচর পত্র

ফাঁসির তারিখ বলে যায় নির্মল।

                        দিন আসে দিন যায়

                        অশ্রু নদী বয়ে যায়।

কিঞ্চিৎ পরিমাণ সাফল্য সামর্থ্য

সাধ জাগায় অনুগ্রহের অনুবাদ।

 

 

 

অন্ত্রজ্বর আমার সাধনা চিরকাল

ফাঁসির দড়ি লিখে দেয় অনুভব।

কোনো এক নীরব মৃত্যুর দেশে

লাশ চলে যায় জীবন্ত বেশে।

                         বিষে তৈরি নিকোটিন

                         আগুন জ্বালায় অন্তরে।

 

 

 

দেওয়া নেওয়ার কারাগারে

বন্দী আমি ফাঁসির কয়েদি হয়ে।

আমার মৃত্যুর সরঞ্জাম

দড়ি আর কালো কাপড় অনুক্ষণ।

অনিদ্রা আমার বারোমাস

দুঃখের পাতা ঝরে পড়ে টপাটপ।

 

 

 

আমার মৃত্যুর অনুপাত

পাহাড়ের সমান কঠিন সমাধান।

বিনা দোষে দোষী আমি

ফাঁসির তারিখ রাখি মনে।

                   মৃত্যু ঘটতে পারে না

                   আমার কল্পনার জগতে।

 

 

 

রক্ত পিপাসার বিষাক্ত রাত

হিংস্র পশুর নখের মতো

আমার সীমানায় দাঁড়িয়ে আছে;

অন্তরাত্মা হৃদয়ের প্রদীপ

অন্ধকার হয়ে প্রবেশ করছে

আমার ফাঁসির কারাগারে।

                   আমার অবদান লেখা

                   কবিতার পাতায় পাতায়।

 

 

 

আমার মৃত্যুর প্রথম কবিতা

আকাশ বাতাস মরু পাহাড়,

সাক্ষী হয়ে রয়ে যাবে।

আজ থেকে বহু বছর আগে

সাক্ষাৎ হয়েছিল মৃত্যুর সাথে,

অনুভবে কল্পনা রেখে যায় বঞ্চনা।

                    ভোর হয় পাখি ডাকে-

                    জীবন দাঁড়ায় অন্ধকারে।

 

 

 

আমার সকল কবিতা মৃত্যুর কথা বলে

অনায়াসে জীবন দান করে মৃত্যুর লাশে।

আমার নীল ডায়েরির

“নীল চিরকুট” উপন্যাস

তারার দেশে অন্ধকার জ্বালে;

ফাঁসি হয়ে গেলো আজ রাত্রে।

                   এ ফাঁসি নয়তো মৃত্যুর

                   এ ফাঁসি অমরত্ব লাভের।

 

 

 

আমার প্রত্যাশা জমানো রাগ

বৃষ্টির প্রতিটি বিন্দুতে ঝরে পড়ে।

আমি মৃত্যুর বিছানায় শুয়ে

স্বপ্ন দেখি গভীর রাতে।।

 

            ২৯/০৬/২০২১

 

 

 

 

 

ঈশ্বরকে আমি ‘তুমি’ বলেই ডাকি

ঈশ্বরকে আমি ‘আপনি’ বলে ডাকতে পারি না

বললে কোথায় যেন আমার বাঁধে

আমি খুব অস্বস্তিতে পড়ি

তাই তাঁকে ‘তুমি’ বলেই ডাকি।

সম্মানে যিনি বড় হন তাঁকে ‘আপনি’ বলতে হয়

সেদিক থেকে তো তাঁকে ‘আপনি’ বলাই উচিত

কিন্তু তবু আমি তেনাকে ‘তুমি’ বলেই ডাকি।

এই ‘তুমি’র মধ্যে যেন কত আপন-আপন ভাব রয়েছে

মনে হয় কত আপন আমার

কত চেনা-পরিচিত এমন লাগে।

সত্যিই তো তাই।

তাঁর মতো এত কাছের আর কে আছে?

তাঁর মতো এত নিজের আর কে আছে?

যিনি এত আপন, বলা যায় আপন প্রাণের চাইতেও আপন তাঁকে ‘আপনি’ বলে ডাকতে বড় লজ্জা হয়, খুব কষ্ট হয়।

তাই তো আমি তাঁর শ্রীচরণের ধুলোর যোগ্য না হয়েও তাঁকে ‘তুমি’ বলেই ডাকি

‘তুমি’ বলে ডেকে অনেক শান্তি পাই।

 

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

২১/৩/২০২৪

বারুইপুর

আমি শুধু তোমাকে চাই – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

আমি শুধু তোমাকে চাই

তোমাকে পেতে হলে আমি সবকিছু করতে রাজি আছি—-

যদি বলো তো অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতের মাথা থেকে ঝাঁপ দিতে পারি

যদি বলো তো যে সূর্যে কোনোদিন কেউ যাবার আশাও করে নি

আমি না হয় সেই সূর্যের ভিতরে ঢুকে ঘুমিয়ে আসতে পারি

যদি বলো তো মারিয়ানা খাতের তলদেশে বসে মাসের পর মাস বিনা অক্সিজেনে কাটিয়ে দিতে পারি

যদি বলো তো সাহারা মরুভূমির বুকে একবছর জল না পান করেও কাটিয়ে দিতে পারি

যদি বলো তো না ফেরার দেশে গিয়েও ফিরে আসতে পারি

যদি বলো তো বায়ুমণ্ডলের আয়োনোস্ফিয়ার স্তরেও এক লাফে উঠে যেতে পারি

যদি বলো তো নীল তিমির মুখে প্রবেশ করে তার পেট চিরে বেরিয়ে আসতে পারি

যদি বলো তো আমাজন নদী থেকে অ্যানাকোণ্ডা সংগ্ৰহ করে আনতে পারি

যদি বলো তো পদ্মার সব জল একাই একদিনে পান করে শেষ করে দিতে পারি

যদি বলো তো কালাহারি মরুভূমি সবুজ বনানীতে ভরিয়ে দিতে পারি

যদি বলো তো মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর মাথায় তোমার থাকার জন্য একটা বাড়ি বানিয়ে দিতে পারি

যদি বলো তো তোমায় নিয়ে ঈশ্বরের বাসস্থান স্বর্গ থেকে ঘুরে আসতে পারি….।

দ্যাখো আমি কত কিছু করতে পারি 

ভেবো না এখানেই শেষ

যদি এখনই না শেষ করি তাহলে বোধহয় বিস্ময়ে তোমার দুই চোখ সত্যিই চিরদিনের জন্য দুই কোটর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসবে

ও দৃশ্য বড় ভয়ানক

ও আমি দেখতে চাই না

তাই আপাতত থামছি।

এবার বলো, এদের মধ্যে অন্তত একটা কাজও তোমায় করে দেখালে তুমি আমার হয়ে যাবে তো?

বলো না গো!

বোঝো না এতটুকু

আমি শুধু তোমাকে চাই

আমি তোমার হতে চাই।

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

১৭/৩/২০২৪

একটি ভূল স্বীকার ; গৌতম মির্ধা

  • আজ আমি অনেকখানি নিচে নেমে গেলাম 

এক লহমায়, গভীর অজানা খাদে,

শুধুমাত্র নিজের একটি কৃতকর্মের সুবাদে,

যথার্থ শাস্তিস্বরূপ আমি আজ তাই এ গহীন অবসাদে

একা বসে ভাবি, কেন এটা হোল! 

তবে কি হোল, আমার মধ্যেই লুকিয়ে থাকা 

কোন দুরাত্মার অনির্বচনীয় ভুলে?

জানিনা আর কখনও ফিরে পাবো কিনা 

সে হারানো সম্মান যা এতকাল আমি 

পেয়ে এসেছিলাম মানুষের সমতলে ।

আজ অন্যের চোঁখে আমি যে কতখানি নেমেছি সেটাতো পরের বিচার, কিন্তু নিজের কাছে?

আমার শিরা উপশিরায় আজ সারাদিন চলল রক্তের হোলিখেলা, শুধূ বিবেকের দংশনে,

মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলোও এখনও নিস্তেজ, হটাৎ ফিরে আসা নীতিবোধের নির্যাতনে, 

যে আমি বরাবর চেষ্টায় থাকি, জ্ঞানত বেঁধেও রাখি প্রানপনে নিজেকে ন্যায়ের পরাকাষ্ঠে,

সেই আমি আজ সযতনে লালিত 

ভাবমূর্তিটাকেই ঠেলে দিলাম মরনের যূপকাষ্ঠে,

কিন্তু এক নির্দোষ হৃদয়ে আজ যে ক্ষতটুকু হল

সেতো হোল আমারই জন্যে, আমারই ভুলে,

আরেকবারটি যদি সুযোগ পেতাম, শুধু একটিবার,

সে ক্ষত আমি মিলিয়ে দিতাম আমার চোখের জলে ।।

                                          লেখা : গৌতম মির্ধা 

তোমার সবকিছুই আমার – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

তুমি অন্য কারও নও শুধু আমার ছাড়া।

তুমি বৃষ্টিতে ভিজো না

আমি চাই না বৃষ্টির জল তোমার গায়ে পড়ুক

ঐ এক ফোঁটা বৃষ্টির জল তোমার অঙ্গে পড়লে সেও যদি তোমায় ভালোবেসে ফেলে?

তখন আমি কী করব?

আমার ভালোবাসাকে আমি পারব না অন্য কারও হাতে তুলে দিতে

তাই তুমি বৃষ্টিতে ভিজো না

আমি ছাড়া আর কেউ যেন তোমায় না স্পর্শ করে।

 

আমি চাই না তুমি আলতা পায়ে সবুজ ঘাসের উপর দিয়ে হেঁটে যাও

তোমার ঐ দুই পা-ই তো হল স্বর্গ

আহা, এতই সুন্দর দেখতে!

আমি চাই না ঘাসের দল তোমার পায়ের ছোঁয়া পেয়ে নিজেদের জীবন ধন্য করুক

আমি চাই না তোমার পায়ের আঘাতে তাদের মৃত্যু হয়ে তারা স্বর্গবাসী হোক

আমি চাই তুমি রেখে দাও তোমার ঐ দুই আলতা মাখা পা আমার কোলে

আমি ও দুই পায়ে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ি

আর পৃথিবীতে থেকেই ঘুমিয়ে স্বপ্নে স্বর্গ ভ্রমণ করে আসি।

 

আমি চাই না তুমি খোলা চুলে ঝোড়ো হাওয়ার মুখে দাঁড়াও

বাতাস তখন পাগল হয়ে তোমার চুল ওড়াবে

বাতাসের এত সাহস আমি পারব না সহ্য করতে

সে নিজের অদৃশ্য হাতে তোমার কেশ স্পর্শ করবে

এত বড় আস্পর্ধা তার!

বাতাসের হাত যদি পেতাম দেখতে 

মুচড়ে ভেঙে দিতাম তখনই 

আমার প্রিয়াকে নিয়ে ছেলেখেলা করার মজা টের পাইয়ে দিতাম

কিন্তু না, তা তো পারব না

বাতাসের হাত তো পাব না দেখতে

ওদিকে আমার মনের ভিতর রাগের আগুন জ্বলবে

আর মন থেকে সে আগুন ক্রমশ সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে হয়ত আমাকেই শেষ পর্যন্ত পুড়িয়ে মারবে

তাই বলছি তোমায় অমনভাবে দাঁড়াতে হবে না।

 

তুমি যেহেতু আমার

তোমার লাল ঠোঁট কাজল চোখ তোমার মন 

তোমার অনুপম দুই পা…. সবই আমার

তোমার দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গও আমার

তোমার চিন্তা চেতনা বিবেক ভালোবাসা… সবই আমার….

তোমার সবকিছুই আমার।

 

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

১৬/৩/২০২৪

 

 

একটি ভূল স্বীকার ; গৌতম মির্ধা

আজ আমি অনেকখানি নিচে নেমে গেলাম 

এক লহমায়, গভীর অজানা খাদে,

শুধুমাত্র নিজের একটি কৃতকর্মের সুবাদে,

যথার্থ শাস্তিস্বরূপ আমি আজ তাই এ গহীন অবসাদে

একা বসে ভাবি, কেন এটা হোল! 

তবে কি হোল, আমার মধ্যেই লুকিয়ে থাকা 

কোন দুরাত্মার অনির্বচনীয় ভুলে?

জানিনা আর কখনও ফিরে পাবো কিনা 

সে হারানো সম্মান যা এতকাল আমি 

পেয়ে এসেছিলাম মানুষের সমতলে ।

আজ অন্যের চোঁখে আমি যে কতখানি নেমেছি সেটাতো পরের বিচার, কিন্তু নিজের কাছে?

আমার শিরা উপশিরায় আজ সারাদিন চলল রক্তের হোলিখেলা, শুধূ বিবেকের দংশনে,

মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলোও এখনও নিস্তেজ, হটাৎ ফিরে আসা নীতিবোধের নির্যাতনে, 

যে আমি বরাবর চেষ্টায় থাকি, জ্ঞানত বেঁধেও রাখি প্রানপনে নিজেকে ন্যায়ের পরাকাষ্ঠে,

সেই আমি আজ সযতনে লালিত 

ভাবমূর্তিটাকেই ঠেলে দিলাম মরনের যূপকাষ্ঠে,

 

কিন্তু এক নির্দোষ হৃদয়ে আজ যে ক্ষতটুকু হল

সেতো হোল আমারই জন্যে, আমারই ভুলে,

আরেকবারটি যদি সুযোগ পেতাম, শুধু একটিবার,

সে ক্ষত আমি মিলিয়ে দিতাম আমার চোখের জলে ।।

                                         লেখা : গৌতম মির্ধা

একটি ভূল স্বীকার ; গৌতম মির্ধা

আজ আমি অনেকখানি নিচে নেমে গেলাম 

এক লহমায়, গভীর অজানা খাদে,

শুধুমাত্র নিজের একটি কৃতকর্মের সুবাদে,

যথার্থ শাস্তিস্বরূপ আমি আজ গহীন অবসাদে

একা বসে ভাবি, কেন এটা হোল! 

তবে কি হোল, আমার মধ্যেই লুকিয়ে থাকা 

কোন দুরাত্মার অনির্বচনীয় ভুলে?

জানিনা আর কখনও ফিরে পাবো কিনা 

সে হারানো সম্মান, যা এতকাল আমি

পেয়ে এসেছিলাম মানুষের সমতলে ।

আজ অন্যের চোঁখে আমি যে কতখানি নেমেছি সেটাতো পরের বিচার, কিন্তু নিজের কাছে?

আমার শিরা উপশিরায় আজ সারাদিন চলল রক্তের হোলিখেলা, শুধূ বিবেকের দংশনে,

মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলো এখনও নিস্তেজ, হটাৎ ফিরে আসা নীতিবোধের নির্যাতনে,

যে আমি বরাবর চেষ্টায় থাকি, জ্ঞানত বেঁধেও রাখি প্রানপনে নিজেকে ন্যায়ের পরাকাষ্ঠে,

সেই আমি আজ সযতনে লালিত 

ভাবমূর্তিটাকেই ঠেলে দিলাম মরনের যূপকাষ্ঠে,

 

কিন্তু এক নির্দোষ হৃদয়ে আজ যে ক্ষতটুকু হল

সেতো হোল আমারই জন্যে, আমারই ভুলে,

আরেকবারটি যদি সুযোগ পেতাম, শুধু একটিবার, সে ক্ষত আমি মিলিয়ে দিতাম আমার চোখের জলে ।।

                                         লেখা : গৌতম মির্ধা

মন

এই বিহনে,

ক্ষণিকে বিলয়ে;

রহিব স্মৃতিতে তোমার।

তুমি চিরমম

 ভাবনা-গভীরে,

ত্বরিত আলোয়ে

  চাহিবে অন্তরীণে।

স্মৃতির পর্দায়

   আচমকা হাওয়ায়,

   রাখি মম গহিনে।

 

গত জন্মের কোনো কথাই এ জন্মে নেই মনে

আমরা চলে যাব সবাই একে একে। আবার আসবো ফিরে। কিন্তু পাহাড় চলে যাবে না। এ জন্মে যে যে পাহাড় দু’চোখ ভরে দেখে গেলাম সামনের জন্মে হয়তো সেই সব পাহাড়ই আমার দেখব কিন্তু তফাৎটা হচ্ছে আমার আর তখন থাকবে না মনে যে গত জন্মে এসব তো আমার ঘোরা ছিল। এই যে এখনও অব্দি কত পাহাড়ী অঞ্চলে ভ্রমণ করা হয়নি কিন্তু আমি কি জানি এ জন্মে যে যে পাহাড়ি অঞ্চল দেখবো দেখবো বলছি গত জানবো হয়তো সেগুলি সবই দেখা হয়ে গেছে। সব জায়গাতেই আমার অভিসার সম্পন্ন হয়ে গেছে। কিন্তু কিছুই যে মনে থাকে না। আর ওদিকে পাহাড়ও যে কিছুই কথা বলতে পারে না। যদিও বা বলত আমি কি থোরাই বিশ্বাস করতাম? পাহাড়ের কথায় আমার মনে কি কোনো প্রত্যয় জাগতো? ভাবতাম এ কী কাণ্ড রে বাবা! পাহাড় আবার কথা বলতে পারে? আচ্ছা ধরে নিলাম আমার মধ্যে বিশ্বাস জন্মাতো কিন্তু তবু নতুন নতুন পাহাড়ী অঞ্চলে ঘোরার একটা আকাঙ্ক্ষা থাকতো, কারণ যে জায়গাগুলিতে গিয়েছি সে জায়গাগুলিতে তো গিয়েছিই কিন্তু যেসব স্থানে যাওয়া হয়নি সেসব স্থানের যাওয়ার তো একটা টান থাকবেই হোক না সে স্থান গত জন্মে ঘোরা। আর গত জন্মের কোন কথাই তো আমার মনে নেই, ভগবানের তো এই এক নিয়ম।

 

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

১১/৩/২০২৪

পাহাড় কি আমায় ভালোবাসে? – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

আমি তো পাহাড়কে ভলোবাসি। কিন্তু পাহাড় কি আমায় ভালোবাসে? মনে তো হয় না। না হলে আজ পর্যন্ত একবারও শুনলাম না শুধু এই কথাটুকু —- আমি তোমায় ভালোবাসি অর্ঘ্যদীপ। 

আমি যেমন ওর সামনে গিয়ে চিৎকার করে বলি —- আমি তোমায় ভালোবাসি। 

কই, ও তো আমায় বলে না তেমন! 

আচ্ছা, মানলাম পাহাড় কথা বলতে পারে না, তাই বলে আমার স্বপ্নে এসেও বলবে না যে, আমায় ভালোবাসে। এটা কি ঠিক? ভালোবাসা শুধু একপক্ষ থেকেই হবে? অন্যপক্ষ থেকে ভালোবাসা পাব না? এভাবে হয়? ভালোবাসা কি এভাবে টেকে? 

স্বপ্নে তো অবাস্তব অনেক কিছুই ঘটে। স্বপ্নে ভগবান আদেশ দেন। স্বপ্নে ভগবান কথা বলেন। স্বপ্নে ভগবান দেখা দেন। যদিও এসবই যে পুরোপুরি অবাস্তব তা নয়। পরম ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দেখা পেয়েছিলেন মা কালীকে বাস্তবেই। 

সে সব যাই হোক, আমি বলতে চাইছি পাহাড় কি স্বপ্নেও আমার কাছে ছুটে এসে বলতে পারে না যে, আমায় ভালোবাসে। 

কিন্তু, বাস্তবে আমি চাই না পাহাড় আমার কাছে ছুটে আসুক।এসে বলুক যে আমায় ভালোবাসে। চাইছি না এই কারণেই তাহলে ভূমিকম্প-টুমিকম্প হয়ে কেলেঙ্কারি কাণ্ড ঘটে যাবে। এতে পৃথিবী শুদ্ধু বড় রকমের দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। মানুষজন বনের পশু পাখি সবাই অসুবিধায় পড়ে যাবে। আমার জন্য কারও অসুবিধা হোক এ আমি চাই না। আর ভালোবাসার কথা অমন অসুবিধা সৃষ্টি করে বলার দরকার নেই। ভালোবাসা সদা সর্বদা শান্ত ধীর। তাই হই হট্টগোল বাঁধিয়ে পৃথিবী কাঁপিয়ে ভালোবাসার কথা বলতে হবে না।

তাই বলছি স্বপ্নেই বলুক। অনেক অসম্ভবও স্বপ্নে সম্ভব হয়। আর এই ছোট্ট একটা ব্যাপার সম্ভব হবে না? এ আবার হয় নাকি?

কিন্তু, নাঃ মনে হয় এ স্বপ্নেও সম্ভব হওয়ার নয়। যদি হোতো তবে অনেকদিন আগেই হয়ে যেত।

বয়স তো আমার বেড়ে চলল পাহাড় গো! তোমার বয়স কত তুমি কি জানো? এক লক্ষ দু লক্ষ…. দু কোটি দশ কোটি…. কত তোমার বয়স, পাহাড় তুমি কি নিজেও সেটা জানো? কিন্তু আমার তো বয়স বেড়ে চলেছে। এখন সত্তরের কাছাকাছি আর ক’দিনই বা থাকব…. কাজেই ও আশা আজ থেকে ছেড়ে দিলাম। এখনও যখন হয়নি তখন মনে হয় আর কোনোদিনই হবে না। 

তাই পাহাড় জেনে রাখো, তুমি আমায় ভালবাসো কী না বাসো আমি তা জানি না। তবে এ জন্মে তোমায় যেমন ভালোবেসে গেলাম সামনের জন্মেও কথা দিচ্ছি তোমায় ঠিক তেমন ভাবেই ভালবাসব। ও পাহাড় গো, কথা দাও সামনের জন্মে আমায় তুমি স্বপ্নে এসে বলবে ভালোবাসার কথা! ও পাহাড় কথা দাও না গো!

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

১০/৩/২০২৪

মাধ্যম

জেগে উঠে, সব শেষ ;

কোথায় সেই মিথ্যে ভয় ,

ছিন্ন কল্পনা ;

সেই পূর্ণতা !

আমার দুঃখ – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

তুমি আমায় কোনোদিন ভালোবাসো নি

তাই আমি তোমার কাছে 

না ভালোবাসার বিষয়ে পরিণত হয়ে গেছি।

তুমি আমায় কোনোদিন কাছে চাও নি

তাই আমি তোমার কাছে থাকার সৌভাগ্য কোনোদিন অর্জন করতে পারি নি।

তুমি আমায় কোনোদিন পছন্দ করো নি

তাই আমি তোমার অপছন্দের তালিকায় প্রথম হয়ে গেছি।

তুমি তো আমায় কোনোদিন ভালোবাসো নি

তাই তোমার সাথে আমার কোনোদিন কোনো ক্ষুদ্র ব্যাপার নিয়েও কথা কাটাকাটি হয় নি;

কাজেই আমার মন কোনোদিন তোমার থেকে কষ্ট-যন্ত্রনা পায় নি।

প্রথম ভালোবাসার কথা একে অপরকে বলতে গেলে

একটু লজ্জা লজ্জা ভাব লাগে সবারিরই

কিন্তু আমি তো কোনোদিন ভালোবাসায় লজ্জা কী বস্তু বুঝি নি;

তাই তো একপ্রকার নির্লজ্জের মতো নিজের ভালোবাসার আত্মসম্মান বোধ ধুলোয় মিশিয়ে শুধুমাত্র তোমার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য 

তোমার কাছে ছুটে যাই বারবার 

আর ফিরে আসি বুকের ভিতরে ব্যথার আগুন জ্বালিয়ে হাসি মুখ নিয়ে।

এসব আমার কাছে দুঃখের কিছু নয়

আমি এত অল্পে ভেঙে পড়ি না,

তুমি তো আমায় কোনোদিন ভালোবাসো নি

ভালোবাসা হলে না হয় মান-অভিমানের পর্ব চলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে

কিন্তু আমার তো সে ভাগ্য নেই;

তাই আমি জোর দিয়ে বলতে পারি তোমার কাছ থেকে দুঃখ পাই নি কোনোদিন

তাই তো তুমি আমায় না ভালোবাসলেও আমি সুখে আছি।

 

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

৯/৩/২০২৪

 

আমি তোমার – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

আমি তোমার কাছের কেউ নই

আমি তোমার দূরের কেউ।

আমি তোমার স্বপ্নে আসি না

আমি তোমার দুঃস্বপ্নে আসি।

আমি তোমার স্মৃতিতে নেই

আমি তোমার বিস্মৃতিতে আছি।

আমি তোমার পছন্দের লক্ষ্মীপেঁচা নই

আমি তোমার অপছন্দের রাতের আঁধারে ডাকা কালপেঁচা।

 

— অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

১০/৩/২০২৪

 

Bangla Deshattobodhok Kobita - দেশাত্মবোধক কবিতা


অতি প্রাচীন কাল থেকে নানা মুনি, ঋষি ও মহাপুরুষ -রা নানা কবিতা লিখে গেছেন। কেউ লিখেছেন প্রকৃতি নিয়ে কবিতা, কেউ লিখেছেন যুদ্ধের আবার কেউ ভালোবাসার। অনেক কবি আছেন যাদের কবিতার মাধ্যমে আমরা ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষের নানা ঘটনা জানতে পারি। বিস্তারিত ...

Adhunik Bangla Kobita - আধুনিক কবিতা


জনপ্রিয় কবির লেখা নির্বাচন করে হুবহু বলার সাথে সাথে শুদ্ধ উচ্চারণ,স্পষ্ট বাচনভঙ্গি এবং সুললিত কন্ঠস্বরের মাধ্যমে কবিতা বা ছড়ার ভাববিষয় শ্রোতার নিকট উপস্থাপিত করাই হল আবৃত্তি। শিল্প-সাহিত্যের আঙিনাতে আবৃত্তির প্রবেশাধিকার বহুদিন আগে থেকেই। সাহিত্যের একটি প্রাচীনতম শাখা হচ্ছে কবিতা। বর্তমান সময়ে সাহিত্য জগতে শিল্প-সংস্কৃতিতে আধুনিক কবিতার মান/খ্যাতি দিন দিন বেড়ে চলেছে। বিস্তারিত ...

Bangla Chora Kobita - ছড়া কবিতা


কবিতা শব্দটি শুনলেই মনের মধ্যে আনন্দ জেগে উঠে। ছন্দের সাহায্যে অথবা গদ্যের ভাষায় মনের ভাব ফুটিয়ে তোলাই হল কবিতা। ছোট থেকে বড়ো সবাই কবিতা পাঠ করতে ও শুনতে ভালোবাসেন। ছোট বাচ্চা কিন্তু কথা শেখার পর ছোট ছোট ছড়া প্রথম শেখে, এই ছড়াই কিন্তু কবিতার আর এক রূপ। বিস্তারিত ...

Bangla Sad Poem - দুঃখের কবিতা


আমরা শুধু মনের আনন্দে কবিতা পড়ি বা লিখি তা নয়, মনের দুঃখও কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করি। দুঃখের কবিতা (Sad Kobita) মানুষের দুঃখ কষ্টকে কেন্দ্র করে লেখা হয়। যেমন পৃথিবীতে এমন কোনও মানুষ নেই যে জীবনে কোনো দিনও দুঃখ পাইনি, তেমন দুঃখ ছাড়া কেউ কবি হতে পারে না। বিস্তারিত ...

Bangla Popular Kobita - জনপ্রিয় কবিতা


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান , ছবি, গল্প, উপন্যাস ও কবিতা সবই লিখেছেন । কিন্তু তিনি জগৎ বিখ্যাত বিশ্বকবি নামে পরিচিত অথার্ৎ এখানেও কবিতার জয় জয় কার। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতার মাধ্যমে বিদ্রোহকে আহ্বান জানিয়েছিলেন , আজ তাই তিনি বিদ্রোহী কবি নামে পরিচিত। বিস্তারিত ...

Bangla Premer Kobita - ভালোবাসার কবিতা


প্রেমের কবিতা (Premer Kobita) অর্থাৎ যে কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে প্রেম ভালোবাসাকে উদ্দেশ্য করে লেখা। প্রেমের মধ্যে রয়েছে ভালোবাসা এই জন্য প্রেমের কবিতাকে ভালোবাসার কবিতা (Love Poem) বলা হয়। বিস্তারিত ...