Bangla Kobita, Bengali Poems, Jokes, Story - বাংলা কবিতা, গল্প, কৌতুক পড়ুন এবং লিখুন


Bangla Kobita, Bengali Poems, Jokes, Story - বাংলা কবিতা, গল্প, কৌতুকের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বাংলা শিক্ষা ডট কম। জনপ্রিয় খ্যাতিমান কবিদের নানাবিধ বাংলা কবিতার একটি সংগ্রহশালা। এখানে জনপ্রিয় কবিদের হাজার হাজার বেঙ্গলি কবিতার [Bengali Poems] সংকলন রয়েছে , যা দিনকে দিন বাড়ছে। এছাড়াও এখানে মজার বাংলা জোকস [Bangla Jokes] , ছোট গল্প [Short Story], রচনা ইত্যাদির একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে ।

আমাদের বাংলা কবিতা [Bangla Kobita] বৃহত্তর ফোরাম রয়েছে যেখানে আপনি কবিতা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। এর পাশাপাশি বাংলা কবিতা, আবৃত্তি [Recitation] প্রকাশের [Publish] সুযোগ রয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য নতুন লেখক এবং লেখিকাদের লেখা প্রকাশের একটা মাধ্যম তৈরী করা। আপনার লেখা প্রকাশ করুন।

আমাদের দেশে এবং সারা পৃথিবী জুড়ে হাজার হাজার কবিরা রয়েছেন , যারা শুধু বাংলা নয় , নানা ভাষায় কবিতা লিখেছেন , তাদের কবিতার ডালি আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদ। আজ ইন্টারনেটের সুবিধার্তে কবিতা এখন হাতের মুঠোয়। কত বিখ্যাত , অবিখ্যাত কবির কবিতা আমরা শুনতে পাই।

Best Poem of the Week - সপ্তাহের সেরা কবিতা

Bangla Kobita Collection - আমাদের সংগ্রহ


জীবনমুখী কবিতাদুঃখের কবিতাপ্রেমের কবিতাজনপ্রিয় কবিতাছড়া কবিতা
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor
TitleAuthor

সাম্প্রতিক সংযোজন

প্রত্যাশা – পার্থ বসু

সরকার তুমি ভ্রষ্ট আজি ঐ জনতার পোড়া মুখ,

সেই জনতার দেয়া চেয়ারে বসে কত না স্বর্গসুখ।

মন্ত্রী র ঐ ঘরেতে টাকা দেখো মেঝ থেকে ঐ ছাদ,

বেকার যুবক জুটাবে কেমনে বলনা পেটের ভাত?।

আজ গণতন্ত্র পথের ধুলায়, তোমার চোখেতে বালি,,

মানুষের মাটি কেরে নিয়েছ,মায়ের মুখেতে কালি,

ঐ সংবিধানের শপথ নিয়ে ই করেই চলেছো

ছল,

দেখতে পাওনা সন্তান হারা মায়ের চোখের জল।

নারীর সম্মান লুট করেছে তোমার অনুগামী,

ধর্ষিতার ই অপরাধ ছিল হায় রে তোমার বাণী।

রাজনীতির ঐ রীতি খানি আজ আসলে শোষণ যন্ত্র,

আর কত দেবে মানুষের কানে মগজ ধোলাই মন্ত্র?।

ভাবো যদি তুমি রবে চিরদিন,ধারণা টা তব ভুল,,

জন স্রোত এসে ভেঙে দেবে ঐ তোমার সাজানো কূল,,

হারিয়ে সেদিন চেয়ার খানি লাগবে কেমন স্বাদ?

দিকে দিকে আজ বেড়ে ই চলেছে জনতার প্রতিবাদ।

সময় সে তো ঘড়ির কাঁটা থাকবে না তো থেমে,,

হিসাব তোমায় দিতেই হবে পাই পাই সব গুনে।

হেলায় তুমি নিও না আজ ঐ জনতার আক্রোশ,,

একে একে দিন ফুরিয়ে গেলে করবে যে আফসোস।

চায় না কেহ ভিক্ষা আজ ই চায় না যে অনুদান,,

পারো যদি দিতে.. তবে দাও না তাদের কর্ম সংস্থান।

আমি নেতাজী সুভাষের স্বপ্ন খানি আজও দেখি রোজ রাতে,

সাম্যবাদের বুজরুকি নয়,সবাই যেন ভাত খেতে পায়,

যেন উন্নত শির করে সবাই চলবে যে এক সাথে।।

রাজনীতি আমি বুঝি না কোনো, বুঝি মানুষের ভাষা,,

আবার নতুন সমাজ গড়বে মানুষ, এটাই যে প্রত্যাশা।

সেদিন চৈত্রমাস – পার্থ বসু

কোন এক রাতে দেখা হয়েছিল সেই তোমারি সনে

অস্পষ্ট নক্ষত্রের মিটি মিটি হাঁসি ছিল ঐ অসীম গগনে,,

মৃদু সমীরণ এসে দোলা দিয়ে যাচ্ছিল কৃষ্ণচূড়ার ডালে,

স্নিগ্ধ চাঁদের কিরণ আলপনা এঁকে চলে ইছামতির জলে।

দূর থেকে ভেসে আসছিলো….

ভেঁপুর শব্দ,মেলা থেকে ফেরা দামাল ছেলের,,

আর ডিঙি বেয়ে বেয়ে গাওয়া গান অচিন জেলের।

মৃদু স্রোতে ডিঙি বেয়ে চলে মাঝি নদীর ঐ বাঁকে,

ঐ রাত জাগা পাখি গুলি বাঁশ বনে অবিরত ডাকে।

আমি নীরবে সেদিন তাকিয়ে ছিলাম তোমারি পানে,

নব অনুভূতিতে চিত্ত পুলকিত ছিল যেন সেই মধু ক্ষণে।

জানি না এমনি করে কখন যেন ফুরালো সময়,

ভোরের আলোয় দেখি জলে ভাসে একদল বুনো হাঁস,,

একান্তে ভাবি আজ আমি ছিল বুঝি- সেদিন চৈত্রমাস ।।

ভোট – পার্থ বসু

কানে ভেসে এল আবার
ঐ যে ভোটের মন্ত্র,,
একেই সবে বলে বুঝি
উৎসব গণতন্ত্র।
ঘুরছে নেতা দ্বারে দ্বারে
মুখে মেখে রঙ,,
কতই সে যে সরল মানুষ
করছে যে তার ঢং।
এই নেতারা ই উস্কানি দেয়
ভোট কে ওঠায়  লাটে,,
পেছন থেকে মানুষ মারার
ফন্দি এরাই আঁটে।
বুজরুকি দেয় কথায় কথায়
গিয়ে ঘরে ঘরে,,
ভোটের পরেই সেই নেতারা
নিজের পকেট ভরে।
এল এল আবার এলো
ঐ যে দেখো ভোট,
সাপ নেউলে ক্ষমতার লোভে
বাঁধলো দেখ জোট।
কালকে ছিল আড়াআড়ি ,
করতো যারা মারামারি,,
আজ চুম্বনে সে ঠোঁট।
বোকা হল জনতা ঐ
আবার এল ভোট।

আবদার

মন আমার উড়ে তোমারই চারপাশে

জানিনা বুঝিনা তোমার মোহে কি আছে।

তোমার আঁচলে সুখের মিছিলে

ডুবে মন রোজ কাটছে সাঁতার।

আমি ফেলতে পারিনা

তোমার কোনো আবদার,

তোমার মিষ্টি কথায় মন

গলে যায় আমার।

 

সামলাতে সামলাতে মনটা আমার

এতো দূরে এসে নয় ফিরে যাবার।

বোঝাতে বোঝাতে হলাম নাজেহাল

দেবে কি ধরা বল আজ নয় কাল।

হাওয়ায় গুনগুনিয়ে, পৃথিবীকে জানিয়ে

ভালোবাসি কতটা করছি স্বীকার।

 

তোমার সুবাস গায়ে মাখিয়ে নিলাম

বলোনা কোন টানে তোমার হতে এলাম।

ছোট্ট এ জীবনে যা চেয়েছি

মনেরই মতো শুধু তোমাকে পেয়েছি।

চেয়ে দেখ না সেজেছে নীল আকাশে

রংধনুর রঙে কত না বাহার।

আমি শুধু তোমাকে চাই – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

আমি শুধু তোমাকে চাই 

আমি তুমি বিনা আর কাউকে চাই না।

 

আমি সূর্যকে চাই না 

কারণ সূর্য আমার হয়ে গেলে 

ওর আগুনে আমি পুড়ে ছাই হয়ে যাব।

 

আমি চাঁদকে চাই না

কারণ চাঁদ আমার হয়ে গেলে 

জগতে আমি কলঙ্কিত হয়ে যাব।

 

আমি সাগরকে চাই না

কারণ সাগর আমার হয়ে গেলে

ওর নোনা জল পান করে করে 

আমি আর বাঁচতে পারব না।

 

আমি ঝর্ণাকে চাই না

কারণ আমি ঝর্ণার হয়ে গেলে 

ওর মতোই পাহাড় থেকে আমায় লাফিয়ে লাফিয়ে পড়তে হবে 

এতে আমার শরীরের হাড়গোড় ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।

 

আমি নদীকে চাই না

কারণ আমি নদীর হয়ে গেলে 

ওর মতোই আমাকে 

এ কূল ভাঙতে হবে ও কূল গড়তে হবে

কিন্তু আমি শুধু গড়তে ভালোবাসি ভাঙতে নয়।

 

আমি মেঘকে চাই না

কারণ আমি মেঘের হয়ে গেলে

ওর মতোই আকাশ থেকে পড়ে মারা যাব।

 

আমি আর অন্য কারও হতে চাই না

কারণ অন্য কারও হতে গেলেই একটা না একটা সমস্যা আসছে

তাই আমি শুধু তোমার হতে চাই

তাই আমি শুধু তোমাকে চাই।

 

তুমি আমায় না ভালোবেসে ভালোই করেছ

তুমি আমায় না ভালোবেসে ভালোই করেছ, 

যদি আমায় ভালোবাসতে তাহলে 

আমি আমার সম্পূর্ণ হৃদয়টাই তোমায় দিয়ে ভালোবাসতাম।

কিন্তু হৃদয় ছাড়া তো কোনো মানুষ বাঁচতে পারে না তাই আমিও বাঁচতে পারতাম না 

তাই তুমি আমায় না ভালোবেসে ভালোই করেছ।

 

 

 

মৃত্যুর পরে সব ভুলে যাওয়া – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

মৃত্যুর পরে আমিও তোমায় ভুলে যাব

তুমিও আমায় ভুলে যাবে।

আমি কোনো কাব্যের কথা বলছি না

ঘোর বাস্তব কথা বলছি।

যতক্ষণ দেহে প্রাণ আছে আমাদের

ততক্ষণ আমি তোমাকে চিনি

তুমি আমাকে চেনো।

কিন্তু আমাদের প্রত্যেকের দু’চোখ চিরদিনের জন্য

বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে

আমরা একে অপরকে ভুলে যাব,

মৃত্যুর পরে আর মনে থাকবে না 

আগে আমরা কী ছিলাম কী পরিচয় ছিল।

তাই মৃত্যুর আগেই শুধু মনে রাখা

মৃত্যুর পরে সব ভুলে যাওয়া।

 

—- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

২৩/৪/২০২৪

 

আরও ভালোবাসতে চাই – অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

মৃত্যুর পরে তো আর তোমাকে ভালোবাসতে পারব না 

তাই মৃত্যুর আগে তোমাকে আরও ভালোবাসতে চাই।

তোমাকে যতটা ভালোবেসেছি তার চেয়েও আরও বেশি ভালবাসতে চাই

তোমায় যতটা চোখে-চোখে রেখেছি তার চেয়েও আরও বেশি চোখে-চোখে রাখতে চাই।

মৃত্যুর পরে আমার আর কিছুই মনে থাকবে না গো

তুমি আমার কে ছিলে, আমি তোমার কে ছিলাম।

আমাদের এই সম্পর্কের কথা আমি সব ভুলে যাব। তাই মৃত্যুর আগে তোমায় 

আরও ভালোবাসতে চাই, আরও ভালোবাসতে চাই।

 

—- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী

২৩/৪/২০২৪

একবার দু’হাত তুলে বলো

(একবার) দু’হাত তুলে বলো

শ্যামা শ্যামা শ্যামা ||

দেখবে কত শান্তি পাবে মনে

শ্যামা মা’র নামে মেতে |

 

তাঁর নামে-গানে পাগল হলে

ক্ষতি কিছু নেই জানবে ||

ঐ পাগলী মায়ের সন্তান তো

পাগল ছাড়া আর কী হবে |

 

মা আমার রাগী

তবু মাকে ভালোবাসি ||

মাকে রেখেছি আমি বুকের ভিতর

সেথায় সে ভালো আছে |

 

শ্রীঅর্ঘ্য বলে তাই জপ জপ

শ্যামা নাম ||

এমন মিষ্টি মধুর নামটি তো

জগৎ ছাড়া নেই কোথাও |

আমার বুকে আছ তুমি শ্যামা মা

আমার বুকে আছ তুমি শ্যামা মা ||

তবু খুঁজে বেড়াই তোমায় আমি চারিভিতে পাগল হয়ে ||

 

তোমার জন্য আছি মা 

আমায় ছেড়ে যেয়ো না ||

ছেড়ে চলে গেলেও আমায় নিয়ো

একা ফেলে যেয়ো না ||

 

অর্ঘ্যর আর কী আছে বলো 

তুমি ছাড়া শূন্য জীবন ||

তুমি তার পিতা মাতা সবকিছু

তুমিই তো তার প্রাণ ||

মাকে তুমি শুধু জানো গো মন

মাকে তুমি শুধু জানো গো মন 

(শ্যামা) মাকে তুমি শুধু জানো গো মন ||

মাকে জানলে পরে সব কিছু তো 

এমনি জানা হয়ে যাবে ||

 

মা যে এই আকাশ বাতাস 

দূরের ওই সূর্য তারা ||

মা যে অখিল সাগর নদী পাহাড়

বন্যা ঝড় মরু নির্ঝর ||

শ্যামা মা আমার কত বড়

শ্যামা মা আমার কত বড় ||

ঐ আকাশ যত বড় 

মা আমার তার চেয়েও অনেক বড় |

 

সূর্য তারা সবাই মিলে

আছে মায়ের অঙ্গে ছড়িয়ে ||

মায়ের পায়ের নিচে আছে পড়ে

আমাদের এই পৃথিবী |

 

বিষ্ণু বিভু ভোলাবাবা

কাজ করে মা’র আদেশে ||

এই ভবের সংসার মা’র আদেশে

কাজ করে খুশি মনে |

 

অর্ঘ্য এসব ভেবে ভেবে

পাগল হোলো খুব সহজে ||

আর পাগলিনী ঐ শ্যামা মা

আছে সবার মনের মধ্যে |

 

অর্ঘ্যর আবার বাসনা হয়েছে

শ্যামা মা’র চরণে থাকবার ||

মা পূর্ণ কোরো এই আশাটি

তার ইহজীবন শেষ হোলে |

 

তারা তারা বলো

তারা তারা বলো

তারা তারা বলো ||

(শুধু) তারা নাম জপ ক’রে যাও

সারা দিনে-রাতে মিলে ||

 

দেখবে এ নাম জপ ক’রলে

মনে আসবে পরম শান্তি ||

(তুমি) সে শান্তিতে ডুবে থাকো

তারা মা’র আশীর্বাদে ||

 

এত বড় বিশাল আকাশে

তারা মা লুকিয়ে আছেন ||

(আমরা) দেখতে তাঁকে পাই না তবু

তিনি আমাদের দেখেন ||

 

তারা মায়ের দেশে যাবার

অর্ঘ্যদীপের সাধ হয়েছে ||

(মা) কোরো পূরণ পূরণ কোরো

সময় এলে ভুলে না গিয়ে ||

 

তারা তারা নামে ডুবে যা না

তারা তারা নামে ডুবে যা না ||

(ও মন) তারা তারা বলে তুই 

তারা নামে ডুবে যা না ||

 

তারা নাম মহানাম

তারা নাম শ্রেষ্ঠনাম ||

(ও মন) তারা তারা বলে তুই

দুঃখ-জ্বালা সব মেটা না ||

 

মধুমাখা তারা নামে

মেতে থাক অনুক্ষণ ||

(ও মন) যে মেতেছে এ নামেতে

সে পেয়েছে তারা মাকে ||

 

অর্ঘ্য বলে তারা নামের সায়রে

ভেলা ভাসা না ||

(ও মন) তাতে চড়ে পৌঁছে যাবি

তারা মা’র শ্রীচরণে ||

 

মেয়ে হয়ে মা তুই আয় না কাছে

মেয়ে হয়ে মা তুই আয় না কাছে 

আমার মেয়ে হয়ে তুই থাক না ঘরে ||

 

আমি যা খাব মা গো তুইও তাই খাবি ||

পারবি না কি স্বর্গ থেকে এই ছোট্ট ঘরে চলে আসতে ||

 

স্বর্গের মতো পাবি না হেথায় অমন স্বর্গীয় সুখ ||

আমার যেমন আছে তাই দিয়ে মা তোকে আমি করব সেবা ||

 

বা বা বলে মা ঝাঁপিয়ে পড় না কোলে ||

তোরে নিয়ে আমি গড়ব বাবা মেয়ের ছোট্ট সংসার ||

 

Bangla Deshattobodhok Kobita - দেশাত্মবোধক কবিতা


অতি প্রাচীন কাল থেকে নানা মুনি, ঋষি ও মহাপুরুষ -রা নানা কবিতা লিখে গেছেন। কেউ লিখেছেন প্রকৃতি নিয়ে কবিতা, কেউ লিখেছেন যুদ্ধের আবার কেউ ভালোবাসার। অনেক কবি আছেন যাদের কবিতার মাধ্যমে আমরা ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষের নানা ঘটনা জানতে পারি। বিস্তারিত ...

Adhunik Bangla Kobita - আধুনিক কবিতা


জনপ্রিয় কবির লেখা নির্বাচন করে হুবহু বলার সাথে সাথে শুদ্ধ উচ্চারণ,স্পষ্ট বাচনভঙ্গি এবং সুললিত কন্ঠস্বরের মাধ্যমে কবিতা বা ছড়ার ভাববিষয় শ্রোতার নিকট উপস্থাপিত করাই হল আবৃত্তি। শিল্প-সাহিত্যের আঙিনাতে আবৃত্তির প্রবেশাধিকার বহুদিন আগে থেকেই। সাহিত্যের একটি প্রাচীনতম শাখা হচ্ছে কবিতা। বর্তমান সময়ে সাহিত্য জগতে শিল্প-সংস্কৃতিতে আধুনিক কবিতার মান/খ্যাতি দিন দিন বেড়ে চলেছে। বিস্তারিত ...

Bangla Chora Kobita - ছড়া কবিতা


কবিতা শব্দটি শুনলেই মনের মধ্যে আনন্দ জেগে উঠে। ছন্দের সাহায্যে অথবা গদ্যের ভাষায় মনের ভাব ফুটিয়ে তোলাই হল কবিতা। ছোট থেকে বড়ো সবাই কবিতা পাঠ করতে ও শুনতে ভালোবাসেন। ছোট বাচ্চা কিন্তু কথা শেখার পর ছোট ছোট ছড়া প্রথম শেখে, এই ছড়াই কিন্তু কবিতার আর এক রূপ। বিস্তারিত ...

Bangla Sad Poem - দুঃখের কবিতা


আমরা শুধু মনের আনন্দে কবিতা পড়ি বা লিখি তা নয়, মনের দুঃখও কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করি। দুঃখের কবিতা (Sad Kobita) মানুষের দুঃখ কষ্টকে কেন্দ্র করে লেখা হয়। যেমন পৃথিবীতে এমন কোনও মানুষ নেই যে জীবনে কোনো দিনও দুঃখ পাইনি, তেমন দুঃখ ছাড়া কেউ কবি হতে পারে না। বিস্তারিত ...

Bangla Popular Kobita - জনপ্রিয় কবিতা


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান , ছবি, গল্প, উপন্যাস ও কবিতা সবই লিখেছেন । কিন্তু তিনি জগৎ বিখ্যাত বিশ্বকবি নামে পরিচিত অথার্ৎ এখানেও কবিতার জয় জয় কার। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতার মাধ্যমে বিদ্রোহকে আহ্বান জানিয়েছিলেন , আজ তাই তিনি বিদ্রোহী কবি নামে পরিচিত। বিস্তারিত ...

Bangla Premer Kobita - ভালোবাসার কবিতা


প্রেমের কবিতা (Premer Kobita) অর্থাৎ যে কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে প্রেম ভালোবাসাকে উদ্দেশ্য করে লেখা। প্রেমের মধ্যে রয়েছে ভালোবাসা এই জন্য প্রেমের কবিতাকে ভালোবাসার কবিতা (Love Poem) বলা হয়। বিস্তারিত ...