গলিটার শেষে থাকে রবিউল খন্দকার,
বিদ্যুৎ নেই বলে বাড়ি তার অন্ধকার!
তোতলা বুড়ির কথা বুঝিনা মাথামুণ্ড!
তিন কুলে কেউ নেই একা রিতা কুণ্ড!
টাকা-পয়সা, বাড়ি-গাড়ি খুব মালদার,
কালিঘাটে ব্যবসা করে ননী হালদার।
বিশাল এলাকা জুড়ে বাড়ির ভূস্বামী,
স্বর্গীয় মানিকের ছেলে মদন গোস্বামী!
দখল হয়েছে জায়গা অল্পখানি উদ্ধার,
মামলা লড়ে সর্বস্বান্ত সন্তোষ পোদ্দার!
গলির প্রবেশপথে বেচে আড়তের চাল,
লেখাপড়া নেই তার মূর্খ গণেশ পাল।
সন্ধ্যায় গলির মোড়ে ভাজে পিঁয়াজী,
ভীড় দেখে খুশি হয় সাত্তার নিয়াজী।
সংসারের যাবতীয় যত পণ্য দরকার,
মোড়ের দোকানে বেচে নিপু সরকার।
একটু এগিয়ে গেলে খ্রীষ্টানদের গীর্জা,
তারপাশেই বাস করে সুলতান মীর্জা।
আমাদের পাশের বাড়ির নামটা‘ক্ষণিক’,
চাকরি শেষে অবসরে নিশিকান্ত বণিক।
এনজিও চাকরিতে সজীব কান্তি বড়ুয়া,
একমাত্র ছেলেটি তার কলেজে পড়ুয়া!
অভাবী সংসার-কর্তা মলয় কুমার চাকী,
এদের নিয়েই পাড়াতে মিলেমিশে থাকি!