শরতের নীল আকাশ সাদা মেঘে ভরা,
হলো না তো তবু আজ গাঁয়ে তার ফেরা।
পুজো আসে পুজো যায় নানা রঙে সজ্জায়,
পরিযায়ী শ্রমিক সে যে ঘরে ফেরা বড় দায়।
কি করে ফিরিবে ঘরে ভেবে দেখে আজ,
হয় নাই উপার্জন ভালো হয় নাই কাজ।
শহরতলি উঠেছে সেজে,দেখি কত সাজ ,,
আলোক সজ্জায় সজ্জিত ঐ কত কারু কাজ।
তবে সুখের সে সন্ধ্যা আসেনি গরীবের দ্বারে,
অর্থের অভাবে সে শ্রমিক আসেনি তো ঘরে।
কেন পরিযায়ী শ্রমিক তার? জবাব কে দেবে?,
সেই উত্তর খানি আমি কেন পাইনি তো ভেবে।
রাজনীতি র নীতি-খানি বড়ই সে কঠিন,
যেন গরীবের বুকে বিঁধে রোজ আলপিন।
কাশ ফুল পথের ধারে,শিউলি সুগন্ধ ছাড়ে,,
ভোরের ঘাসের কণায়, শিশিরে সে মুক্ত জমায়,,
তাই পুলকিত চিত্ত বুঝি আজি নাচে ধিন ধিন,,
কিন্তু আমি যে দেখেছি ঐ ছোট্ট শিশুর মুখ বড়ই মলিন,
সে যে ভেঙে পড়ে কান্নায় মা এর আঁচল ধরে,
কেন পুজো তে পিতা তার আসবে না বল ঘরে?,,
ভাবে- কে বা তাকে কিনে দেবে নতুন জমা?,
সেই উত্তর খানি আজ তার কাছে বড়ই অজানা,,
জগজ্জননী মা গো ঐ তোমাকে যে সবে ভালোবাসে,
এই শারদ উৎসবে যেন বাংলার ঘরে ঘরে সব শিশু হাসে।