গর্বিত সন্তান
এস.এন.রাসেল।
আমি একজন গর্বিত মায়ের সন্তান। সাধারণ ঘরে অতি সাধারণ ভাবে আমার জন্ম। তার পরও যেন অসাধারণ আমি। ছোটো-বড় থেকে গুরুজন পর্যন্ত সবার মুখে একটাই নাম আমি।তার কারন হয়তো ছোটদের সাথে স্নেহময় মিষ্টিদুষ্টামি,শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা দিয়ে পাঠদান করা একজন প্রিয় শিক্ষক আমি। আমার নিজ ক্লাসে শিক্ষকদের রীতিমতো শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের সহিত পড়া আদায়, সমাজের বা আত্মীয়-স্বজনদের সাথে নম্রতা ভদ্রতার সহিতাচরন করা। তাই সবার ভালোবাসার একটাই নাম শাহাদাৎ হোসেন রাসেল (এস.এন.রাসেল) । অবাক করা বিষয় তাইনা? হুম জানি আমিও অবাক হই। আরেকটি কথা যদিও এখন ডিফেন্সে নেই তাও দুর্বার সৈনিকের মত দেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সেই ভালোবাসাটা কিন্তু বরাবরই আছে এবং থাকবে। দে-শ কে মায়ের মতই ভালোবাসি। সত্যি বলতে গেলে শুধু ডিফেন্সে থেকেই দেশের প্রতিটি মানুষের সেবা করা যায় বিষয়টা এমন নয়।শুধু ডিফেন্সে থেকে নয়।ইচ্ছে থাকলে যেকোনো অবস্থান থেকেও দেশ সেবা করা যায়। তাই আমি রাসেল ডিফেন্স ছেড়ে দেওয়ার পরেও দেশের এবং অত্যাচারিত-নিপিড়ীত মানুষের সেবা করতে রাজপথে আছি। দেশের গনতন্ত্র পুনঃউদ্ধার ও দেশের সকল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে আজ রাজনৈতিক অঙ্গন অবস্থান করছি। আর এই রাজনৈতিক অঙ্গনে অবস্থান করার জন্য আমাকে সুযোগ করে দিয়েছে তারুণ্য নির্ভর সংগঠক তরুণ সমাজের আইকন সময়ের দূর্বার সাহসী বীর ডাকসুর সদ্য সাবেক ভিপি নূরুল হক নূর ভাই। দেশের নাগরিক অধিকার হতে যখন বঞ্চিত তিনি তখন স্বৈরাচারী স্বৈরশাসক এর বিরুদ্ধে পদায়ন করেন।আর তার জন্য বিভিন্নভাবে হয়রানি অত্যাচারীত নিপিড়ীত হয়েছেন তার পরেও সরে যাননি তিনি। এতো কিছু করার পরেও তিনি থেমে যায় নি। বরং তিল তিল করে শক্তি সঞ্চয় করে ছাত্র যুবদের নিয়ে সংগঠন গড়ে তুলেন। আর তার এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তাই আমিও তার সংগঠনে যুক্ত হলাম। সে সংগঠনের সদস্য হয়ে। আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। কেননা আমি একটি ভিন্ন ধারার সংগঠনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আর দেশের অধিকার বঞ্চিত অত্যাচারিত-নিপিড়ীত মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার সংগ্রামে নিযুক্ত হওয়ার জন্যেই আমার জননী ও দেশমাতৃকার একজন গর্বিত সন্তান আমি।চাইলে আপনি ও হতে পারেন একজন দেশ সেবক এবং দেশ মাতৃকার একজন গর্বিত সন্তান।
